দক্ষিণখান থানার ওসিকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ

অনুসন্ধানী প্রতিবেদক, এটিভি সংবাদ 

দুঃখজনক হলেও সত্য বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের অনেক জাতীয় দৈনিক, অনেক অনলাইন নিউজ পোর্টাল সংবাদপত্রের নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে যাচ্ছে, যা সংবাদপত্র নিয়ম বহির্ভূত কর্মকাণ্ডের সামিল।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, গত ৪ মার্চ, ২০২০ ইং বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে ডিএমপি’র দক্ষিণখান থানার ওসিসহ ১০ পুলিশের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনে সংবাদ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে দৈনিক সমকাল শিরোনাম করেছে, “রাজধানীতে দুই ওসির বিরুদ্ধে মামলা” কালের কন্ঠ শিরোনাম করেছে, “দুই থানার ওসিসহ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির মামলা” অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগো নিউজ ২৪ ডটকম শিরোনাম করেছে, “শ্লীলতাহানি :দক্ষিণখান থানার ওসিসহ ১০ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা” আমাদের সময় ডটকম শিরোনাম করেছে, শ্লীলতাহানির অভিযোগে দক্ষিণখান থানার ওসিসহ ১০ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা” এবং সারাবাংলা ডটনেট শিরোনাম করেছে, “বাসায় ঢুকে বাদীকে হেনস্থা, ওসিসহ ১০ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা”

এক মিডিয়াকে অনুসরণ করে বাকী সব মিডিয়াই শিরোনাম পরিবর্তন করেছে মাত্র, সারাংশ সবার একই। এখানে প্রশ্ন তদন্ত ব্যতিত এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করা কি সংবাদপত্রের নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের সামিল নয়?

ডিএমপি’র দক্ষিণখান থানার ওসি শিকদার মোঃ শামীম হোসেন একজন চৌকস অফিসার হিসেবে থানা এলাকায় সকলের কাছে প্রশংসিত। নীতিতে অটল এ কর্মকর্তা সম্পর্কে সংবাদপত্রের বিভিন্ন মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন অনেকে।

আদালতপাড়া এমন এক জায়গা যেখানে যে কেউ যেয়েই উকিলের মাধ্যমে যে কোনো লোকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারেন, এতে মিডিয়ার পুলকিত হবার কিছু নেই। একটা মানুষ সম্পর্কে না জেনে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন, এটিভি সংবাদের সম্পাদক এস এম জামান। তিনি বলেন, এখানে সত্য মিথ্যা যাচাই করবে আদালত। আদালত বাদীর দায়েরকৃত মামলার তদন্তভার দিয়েছেন, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর উপর।

পিবিআই অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরিতে স্বচেষ্ট হবেন এবং সঠিক প্রতিবেদন দাখিল করবেন এমনটি আশা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

image_print
SHARE