চুক্তিতে খেলোয়াড়দের বেতন বাড়ানোর পাশাপাশি নতুনত্ব এনেছে বিসিবি

স্পোর্টস ডেস্ক:

বিসিবির নতুন কেন্দ্রীয় চুক্তিতে খেলোয়াড়দের বেতন বাড়ানোর পাশাপাশি নতুনত্ব এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এবার লাল ও সাদা বলের জন্য আলাদা চুক্তি করা হয়েছে। যারা সাদা ও লাল দুই রঙের বলের ক্রিকেটেই আছেন তারাই বেশি লাভবান হচ্ছেন।

 

বর্তমানে ওয়ানডে ফরম্যাটে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক তামিম ইকবালের এখন শুধু বেতন থেকেই মাসিক আয় হবে ৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। ২০১৭ সাল থেকে এ প্লাস শ্রেণির ক্রিকেটাররা পেয়ে আসছেন মাসে ৪ লাখ টাকা। নতুন চুক্তিতে এ প্লাস ক্যাটাগরিতেই আছেন তামিম। তিনি লাল ও সাদা দুই বলের চুক্তিতেই আছেন।

বিসিবির নিয়ম অনুযায়ী, যে ক্রিকেটার দুই চুক্তিতেই আছেন তিনি সর্বোচ্চ যে গ্রেডে আছেন তার জন্য পুরো টাকা পাবেন। আর নিচে যে গ্রেডে আছেন তার জন্য পাবেন অর্ধেক। দুইটি চুক্তিরই গ্রেড যদি সমান হয় তাহলে সেই ক্রিকেটার একটির পুরো টাকা পাবেন। আরেকটির অর্ধেক পাবেন। সেই হিসাবে তামিম চুক্তি থেকে পাবেন ৬ লাখ টাকা। আর অধিনায়ক হিসাবে পাবেন অতিরিক্ত ৩০ হাজার টাকা।

 

অন্যদিকে, মুশফিকুর রহিমও দুই চুক্তিতেই এ প্লাস ক্যাটাগরিতে আছেন। তাই বেতন থেকে তিনি পাবেন ৬ লাখ টাকা। আর বেশি ম্যাচ খেলার সুবাদে তিনি পাবেন অতিরিক্ত ২০ হাজার টাকা। অর্থাৎ, বেতন থেকে মুশফিকের প্রতি মাসে আয় হবে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা। বাংলাদেশের আরেক সিনিয়র ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আছেন এ প্লাস ক্যাটাগরিতে। কিন্তু তাকে শুধু সাদা বলের ক্রিকেটে রাখা হয়েছে।

 

কেন্দ্রীয় চুক্তির অন্য ক্রিকেটারদের বেতন এ শ্রেণির ক্রিকেটারের ৩ লাখ, বি শ্রেণি ২ লাখ, সি ১ লাখ ৫০ হাজার ও ডি শ্রেণির ক্রিকেটারের ১ লাখ টাকা। এবার বিসিবি তিন সংস্করণের ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফি বাড়িয়েছে।

এবারের চুক্তিতে মোট ১৭ জনকে রাখা হয়েছে। গতবারও ছিলেন ১৭ জন। এবার নিষেধাজ্ঞার কারণে বাদ পড়েছেন সাকিব আল হাসান। গত ৬ মার্চ অধিনায়ক হিসাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শেষ ম্যাচ খেলে ফেলা মাশরাফি বিন মর্তুজাও নেই বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে। বাদ পড়া বাকি পাঁচ ক্রিকেটার হলেন ইমরুল কায়েস, আবু হায়দার রনি, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, রুবেল হোসেন ও সাদমান ইসলাম।