এবার টেস্টেও পায়ের ‘নো’ ধরবে টিভি আম্পায়ার


স্পোর্টস ডেস্ক
টেস্ট ক্রিকেটে সামনের পায়ের ‘নো বল’ ধরতে প্রথমবারের মতো প্রযুক্তির ব্যবহার করতে যাচ্ছে আইসিসি। ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের টেস্ট সিরিজে এই ‘নো বল’ ডাকবেন তৃতীয় আম্পায়ার।
বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থা বুধবার (৫ আগষ্ট) এক টুইট বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ম্যানচেস্টারে এই দিনই শুরু হবে দল দুটির তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট। “আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ইংল্যান্ড-পাকিস্তান সিরিজে দুই দলের সম্মতিতে সামনের পায়ের ‘নো বল’ এর জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এই তিন টেস্টে প্রযুক্তিটির পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করে ভবিষ্যতে টেস্ট ক্রিকেটে এটির ব্যবহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি বলের পর বোলারের সামনের পায়ের অবস্থান দেখবেন তৃতীয় আম্পায়ার এবং ‘নো বল’ হলো কি-না, সে বিষয়ে কথা বলবেন মাঠের আম্পায়ারের সঙ্গে। তৃতীয় আম্পায়ারের নির্দেশনা ছাড়া পায়ের ‘নো বল’ ডাকতে পারবেন না মাঠের আম্পায়ার। বাকি সব নো বলের সিদ্ধান্ত মাঠ থেকে দেবেন তারা। গত মঙ্গলবার শেষ হওয়া ওয়ানডে সুপার লিগের ইংল্যান্ড-আয়ারল্যান্ড সিরিজে সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে এই প্রযুক্তি। এর আগে, ২০১৬ সালে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের ওয়ানডে সিরিজে প্রথমবার পরীক্ষামূলকভাবে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তিন বছর পর ২০১৯ সালে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সীমিত ওভারের সিরিজে আবারও পায়ের ‘নো বল’ ডাকার দায়িত্ব দেওয়া হয় টিভি আম্পায়ারকে। চলতি বছরের শুরুতে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ছিল এই নিয়ম। প্রায়ই পায়ের ‘নো বল’ চোখ এড়িয়ে যায় মাঠের আম্পায়ারদের। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনাও হয়েছে অনেক। ২০১৮ সালের নভেম্বরে ইংল্যান্ডের শ্রীলঙ্কা সফরের সময় ব্রডকাস্টাররা জানিয়েছিল, পাঁচ ওভারের একটি স্পেলে অন্তত ১২টি ‘নো বল’ চোখ এড়িয়ে গেছে আম্পায়ারদের। গত বছর অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান সিরিজের ব্রিজবেন টেস্টের দ্বিতীয় দিনের দুই সেশনে ২১টি ‘নো বল’ আম্পায়ারদের চোখে পড়েনি, সে সময় চ্যানেল সেভেনের গণনায় এসেছিল। সম্প্রতি শেষ হওয়া ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেও ঘটেছিল এমন ঘটনা।