বন্যাপ্লাবিত চরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে নদ খনন করে বাঁধ নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন

 

নাজমুল আলম, রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেছেন, কুড়িগ্রামের রৌমারী, রাজিবপুর ও চিলমারী একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ এবং নদী ভাঙন এলাকা। এই এলাকাটি সীমানান্তবর্তী হওয়ায় প্রতিবছরই বর্ষা মৌসুমে ব্রম্মপুত্র নদের পানি উপচে পড়ে নিম্ম চরাঞ্চল বন্যাপ্লাবিত হয় এবং অসহায় দরিদ্র মানুষ দুর্ভোগে পতিত হয়। এ সকল বন্যাপ্লাবিত চরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন এবং নদী ভাঙন ও ভয়াবহ বন্যার হাত থেকে স্থায়ী সমাধানের জন্য ব্রম্মপুত্র নদ খনন করে বাঁধ নির্মাণ করা হবে। ইতোমধ্যে ব্রম্মপুত্র নদের শাখা নদীগুলোর মুখ বন্ধ করার কাজ শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (২১ আগষ্ট) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন রৌমারী উপজেলার নদী খনন, নদী ভাঙন ও বাঁধ নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন – বাঙলা প্রতিদিন

প্রতিমন্ত্রী আজ শুক্রবার (২১ আগষ্ট) কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার নদী খনন, নদী ভাঙন ও বাঁধ নির্মাণ কাজ পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ব্রম্মপুত্র নদ খনন কাজের প্রকল্প ইতোমধ্যে একনেকে পাশ হয়েছে এবং টেন্ডারের অপেক্ষায় রয়েছে। তাই এলাকার সাধারণ জনগণের দুর্ভোগ আর বেশী দিন থাকবেনা,অচিরেই তাদের কষ্ট লাঘব হয়ে যাবে।
পরিদর্শন কালে প্রতিমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন পিআইডব্লিউটি এর মহাপ্রকৌশলী সাইদুর রহমান, পানি সম্পদের কুড়িগ্রাম নির্বাহী প্রকৌশলী শাহাবুল ইসলাম, রৌমারী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের কমান্ডার আব্দুল কাদের এবং রৌমারী প্রেসক্লাব সভাপতি সুজাউল ইসলামসহ উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। পরে প্রতিমন্ত্রী চিলমারী উপজেলা মৎস্য দপ্তর বাস্তবায়নাধীন ২০২০-২০২১ অর্থবছরে রাজস্ব বাজেটের আওতায় বর্ষাপ্লাবিত ধানক্ষেত, প্লাবন ভূমি ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে পোনা অবমুক্তকরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন চিলমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীরবিক্রম শওকত আলী সরকার ও কুড়িগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কালিপদ রায় প্রমূখ।