চীন ও চট্টগ্রাম বন্দরের মধ্যে নতুন কনটেইনার শিপিং সার্ভিস চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক
চীন ও বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরের মধ্যে শনিবার থেকে নতুন কনটেইনার শিপিং সার্ভিস হয়েছে। ফলে এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সমুদ্রপথে ভিয়েতনামের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হবে।

ফরাসি জাহাজ কোম্পানি সিএনসি লাইন ও হংকংভিত্তিক স্যানডং ইন্টারন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন কর্পোরেশন (এসআইটিসি) যৌথভাবে নতুন বে বেঙ্গল এক্সপ্রেস-২ (বিবিএক্স-২) নামে এই সার্ভিস চালু করেছে। এই সার্ভিস চালু হওয়ায় চট্টগ্রাম ও চীনের মধ্যে চারটি ফিডার সার্ভিস চালু হলো।

এই সার্ভিস বাংলাদেশ, চীন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনামের বন্দরগুলোকে সংযুক্ত করবে। বিবিএক্স-২ শিপমেন্টগুলো সিএমএ সিজিএমের গ্লোবাল নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকবে বলে এসআইটিসি’র স্থানীয় এজেন্ট এফএএমএফএ সল্যুশন চেয়ারম্যান শওকাতুল ইসলাম জানিয়েছেন।

চীনের নিংবো বন্দর থেকে পণ্যবাহী জাহাজ বাংলাদেশের পথে রওয়ানা দিয়ে ১৩ দিন পর চট্টগ্রাম বন্দরে পৌছবে। পথে এটি চীনের সাংহাই ও শেকু বন্দর ও মালয়েশিয়ার পোর্ট ক্লাংয়ে থামবে।

ফেরার পথে জাহাজটি প্রথমে সিঙ্গাপুর যাবে। পরে ভিয়েতনামের হোচিমিন সিটি হয়ে নিংবোতে ফিরে যাবে।

আগে চীন-বাংলাদেশ পন্য আনা নেয়া করতে সময় লাগতো ২২ থেকে ২৫ দিন পর্যন্ত। সেখানে ১৩ দিন, অর্থাৎ ৯ থেকে ১২ দিন কমে যাবে এবং পন্য আনা নেয়ার খরচও কমে আসবে। চীন থেকে প্রচুর গার্মেন্টসের কাঁচামাল আসে। এর ফলে রফতানিযোগ্য গার্মেন্টস পন্য জাহাজে তূলতে Lead Timeও কমে আসবে।

এছাড়াও ভিয়েতনাম বাংলাদেশের জন্য খুই উপকারী পোর্ট অব কল হবে কারণ সেখানে থেকে বাংলাদেশি পণ্যের যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট কোস্টে পৌছতে চার থেকে পাঁচ দিন কম লাগবে।

বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে কোনো রফতানি পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে প্রায় এক মাস লাগে। এগুলো সিঙ্গাপুর হয়ে যায়। তখন চট্টগ্রাম ও ভিয়েতনামের মধ্যে কোনো ফিডার সার্ভিস ছিল না।