পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে চিংড়ি শিল্প

বাণিজ্যে বসতি ডেস্ক

মহামারি করোনার ক্ষত কাটিয়ে চিংড়ি শিল্প ফের পুনরুজ্জীবিত হতে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে চিংড়ির দাম বাড়ায় বৃহত্তর খুলনাঞ্চলে এ শিল্পের সঙ্গে জড়িতরা আশায় বুক বেঁধেছেন।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পতনের সম্মুখীন হওয়া চিংড়ির দাম গত দুই সপ্তাহ ধরে বাড়ছে। এতে চাষিদের মুখে হাসি ফুটতে শুরু করেছে। পাশাপাশি গোটা সেক্টরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা নড়ে চড়ে বসেছেন। আগামী ১ মাসে যে রফতানির সম্ভাবনা রয়েছে, তা গত আড়াই মাসের চেয়েও বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে ফিস প্রসেসিং কোম্পানি ও রফতানিকারকরা উপযুক্ত দামে মাছ ক্রয়ে অনীহা প্রকাশ করে। এতে চাষিরা চিংড়ি অর্ধেক মূল্যে খোলা বাজারে বিক্রি শুরু করে। এ সময় ইউরোপিয়ান দেশ ও অন্যান্য বিশ্ব বাজারে চিংড়ি রফতানি ২৫ ভাগে নেমে আসে।

এতে চিংড়ি শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রান্তিক চাষি থেকে শুরু করে ঘের মালিক, জমির মালিক, মাছের ডিপোর ফড়িয়া আড়ৎদার, এমনকি খুচরা পাইকারি ও বড় বড় এজেন্টসহ খোদ মাছ কোম্পানিগুলোতে চরম বিপর্যয় নেমে আসে।

এখন বাগদা চিংড়ির ভরা মৌসুম শেষ পর্যায়ে। করোনার সংকট কাটিয়ে গলদার ঘেরে নতুন করে চিংড়ির পোনা দেয়া হয়েছে। এখন মাছের গ্রেড ২০-৩০। আগামী শীত মৌসুমের আগেই এ থেকে লাভের মুখ দেখা যাবে। ফলে শিগগিরই এ অঞ্চলের অর্থনীতি পুনরায় চাঙ্গা হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ প্রসঙ্গে চিতলমারী অগ্রণী ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, বৃহত্তর খুলনাঞ্চলের প্রধান অর্থনীতির যোগান হয়ে থাকে চিংড়ি থেকে। এ শিল্পে সরকারিভাবে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনার চিঠি এসেছে। খুব শিগগিরই কৃষকদের মধ্যে ঋণ বিতরণ শুরু হবে।