মেধার মূল্যায়ন করে আওয়ামীলীগ সরকার : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

নামুল আলম, রৌমারী (কুড়িগ্রাম):
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, মেধার মূল্যায়ন আওয়ামী লীগ সরকারই করে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিয়োগ বাণিজ্য নেই। মেধা ভিত্তিক নিয়োগ দিচ্ছে সরকার। নিয়োগ পরীক্ষায় যারা ভালো করছে তারাই বিনা টাকায় চাকরি পাচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী আজ রৌমারী উপজেলা কন্ফারেন্স রুমে পল্লী-কর্ম সমন্বয়ক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ( পিকেএসএফ)-এর আর্থিক সহায়তায় ও আরডিআরএস-এর বাস্তবায়নে তাঁর নির্বাচনী এলাকায় অতিদরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তির অর্থের চেক বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী রৌমারী, রাজিবপুর ও চিলমারী উপজেলার ২১ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে ১২ হাজার টাকা করে শিক্ষাবৃত্তির চেক তুলে দেন। অতিদ্ররিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করায় তিনি দাতা সংস্থা পিকেএসএফ ও আরডিআরএস, বাংলাদেশেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন রয়েছে, সেখানে অতিদরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীরা আবেদন করলে তাদের সহায়তা দেওয়া হয়।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের ভালো করে লেখাপাড় করতে হবে। সুশিক্ষিতরাই পারবে বঙ্গবন্ধু স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে। আজ তোমরা যারা বৃত্তি পেয়েছ তোমাদের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার সহযোগিতায় দীপ্ত শপথ নিতে হবে। তোমাদের মাঝে লুকিয়ে আছে অমীত সম্ভাবনার বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তাই এখন থেকে সৎ, নীতি-নৈতিকতাসম্পন্ন মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। তিনি আরো বলেন,
বর্তমান বাস্তব জীবন অনেক চ্যালেঞ্জিং। তাই তোমরা জীবনে প্রতিষ্ঠা পেতে হলে তোমাদের কঠিন অধ্যবসায় ও পরিশ্রম করতে হবে এবং নিজেকে প্রস্তুত হতে হবে। তাই তিনি শিক্ষার্থীদের এখন থেকে প্রস্তুতি নেয়ার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান।
শিক্ষাবৃত্তি প্রদান আনুষ্ঠানে আরডিআরএস, বাংলাদেশের প্রকল্প সমম্বনয়কারী গৌতম কুমার হালদারের সভাপত্বিতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, রৌমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল্লাহ, রৌমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আহসান হাব্বি বাবু, আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক আমিনুল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা অফিসার নজরুল ইসলাম, সিনিয়র ক্রেডিট অফিসার ময়েন উদ্দিন পাটোয়ারী, রৌমারী এলাকা ব্যবস্থাপক ফিরোজ জামান ও সাজেদুর রহমান এবং স্কুল ফিডিং কর্মকর্তা মো. জয়নাল আবেদিন।