হবিগঞ্জের মাধবপুরে মাদক চোরাকারবারীরা বেপরোয়া

ব্যুরো প্রধান-হবিগঞ্জ, এটিভি সংবাদ 

হবিগঞ্জের মাধবপুরে মহামারী করোনায় ও লকডাউন চলাকালে সীমান্ত এলাকায় মাদকের চোরাচালান বেড়ে চলেছে। বিশেষ করে রাতের আধারে মাদক চোরাচালানে মাদক চোরাকারবারীরা এখন সক্রিয় হয়ে উঠেছে। মাঝে মধ্যে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে মাদকসহ চোরাকারবারীরা গাড়ীসহ আটক হলেও মাদক পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছেনা।

চোরাচালান প্রতিরোধ করার জন্য মাধবপুরে বিজিবি, পুলিশ, জনপ্রতিনিধি উপজেলা প্রশাসন জনপ্রতিনিধি নিয়ে প্রতি মাসে চোরাচালান সভা করে মাদক নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করে যাচ্ছে। এ পরও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

গত বছর লকডাউনের সময় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে যখন লকডাউন কার্যক্রমে ব্যস্ত তখন ওই সময় চোরাকারবারীরা সীমান্তে মাদক চোরাচালানে সক্রিয় হয়ে উঠে।

এবারও লকডাউনের সাথে সাথে চোরাকারবারীরা উপজেলার ধর্মঘর, চৌমুহনী, মনতলা, তেলিয়াপাড়া ও সাতছড়ি সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারে ব্যস্ত। মাধবপুর সীমান্তে শিয়ালহরি, ধর্মঘর, বড়জ্বালা, হরিণখোলা, মনতলা, তেলিয়াপাড়া, সাতছড়িসহ সীমান্ত ফাঁড়ী রয়েছে।

কিন্তু বিজিবি সদস্যদের ফাকি দিয়ে ভারত থেকে সীমান্ত পথে ফেন্সিডিলি, গাঁজা, ইয়াবা নিয়ে আসে। মাদক চোরাচালানের শক্তিশালী নের্টওয়াক গড়ে উঠেছে। ধর্মঘর ও তেলিয়াপাড়া এলাকায় ওই এলাকার দাগী মাদক ব্যবসায়ীরা এখন প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসায় জড়িত। মাদক ব্যবসা করে অনেক মাদক ব্যবসায়ী শূন্য থেকে কোটিপতি বনে গেছে। রয়েছে লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাড়ী।

সম্প্রতি লকডাউনের সময় র‌্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল শায়েস্থাগঞ্জ মাধবপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে শীর্ষ কয়েকজন মাদক চোরাকারবারী মাদকসহ গ্রেফতার করে মামলা দিয়েছে। এছাড়া গত সোমবার রাতে চেঙ্গারবাজার এলাকায় কাশিমনগর ফাঁড়ি পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৪৭ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুই মাদক পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছে।

মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক জানান, মাধবপুরকে মাদক মুক্ত করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।