সুদর্শন দাশ বাঙালি জাতিকে সম্মানিত করেছেন : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক, এটিভি সংবাদ

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, পণ্ডিত সুদর্শন দাশ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের মাধ্যমে দেশ ও জাতিকে সম্মানিত করেছেন। বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন।

দীর্ঘতম তবলা ম্যারাথন (৫৫৭ ঘণ্টা ১১ মিনিট, ২০১৬), দীর্ঘতম ঢোল ম্যারাথন (২৭ ঘণ্টা, ২০১৭), ড্রাম রোল (১৪ ঘণ্টা, ২০১৮) সহ পাঁচবার গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন বাংলাদেশের চট্টগ্রামের এই কৃতি সন্তান।

শুধু ভাগ্যের জোরে এ অর্জন সম্ভব নয়; দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা, অধ্যাবসায় ও ত্যাগের মাধ্যমে তিনি এ অসাধ্যকে সাধন করেছেন বলে উল্লেখ করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে পণ্ডিত সুদর্শন দাশকে সম্মাননা প্রদান এবং তবলা অ্যান্ড ঢোল একাডেমি লন্ডন-এর ঢাকা শাখার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উদ্বোধকের বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। তারার মেলা সংগীত একাডেমি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ksrm

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব লাকী ইনাম, সম্মাননাপ্রাপ্ত গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডধারী পণ্ডিত সুদর্শন দাশ, তারার মেলা সংগীত একাডেমির চেয়ারম্যান ও তবলা অ্যান্ড ঢোল একাডেমি লন্ডন-এর ঢাকা শাখার পরিচালক লোপা দাশ এবং তবলা অ্যান্ড ঢোল একাডেমি লন্ডন-এর হেড অব মিউজিক মাইকেল ব্রড।

শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন তারার মেলা সংগীত একাডেমির সম্পাদক মৃণাল কান্তি মণ্ডল।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সে দেশের অগ্রযাত্রাকে কেউ রুখতে পারবে না। যে দেশের সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক শেখ হাসিনা সে দেশের সংস্কৃতি এগিয়ে যাবে এবং দেশ-বিদেশে সুনাম অর্জন করবে।

উপস্থিত সবাইকে আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আসুন, সংস্কৃতির মাধ্যমে বিশ্বের দরবারে এ লাল-সবুজের পতাকাকে আরও সমুন্নত করি।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী তবলা অ্যান্ড ঢোল একাডেমি লন্ডন-এর ঢাকা শাখার উদ্বোধন করেন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিষ্ঠানটির ৫টি শাখা রয়েছে, ঢাকায় এর ষষ্ঠ শাখার যাত্রা শুরু হলো। এ শাখায় সংস্কৃতির বিভিন্ন বিষয়ে ৫ বছর মেয়াদি প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং প্রশিক্ষণার্থীরা গ্রেড-৫ শেষ করার পর লন্ডনে গিয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পাবেন।