দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে এক দিনেই এলো ৬৫ হাজার ৮৫৫ কেজি কাঁচা মরিচ। বুধবার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যা পর্যন্ত ভারতীয় ৯টি ট্রাকে এসব কাঁচ মরিচ আমদানি করা হয়। এতে কমতে শুরু করেছে কাঁচা মরিচের ঝাল। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বাড়ায় কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে ৫০ টাকা করে কমেছে।
হিলি স্থলবন্দরে কাঁচামরিচ কিনতে আসা মোস্তফা হোসেন বলেন, দেশীয় কাঁচা মরিচের দাম বৃদ্ধির কারণে দেশের বাজারে আমদানিকৃত ভারতীয় কাঁচা মরিচের চাহিদা রয়েছে। সেই কারণে আমরা হিলি স্থলবন্দর থেকে কাঁচা মরিচ ক্রয় করে নিয়মিত রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছিলাম।
হিলি স্থলবন্দরের কাঁচা মরিচ আমদানিকারক আনোয়ার হোসেন বলেন, আমদানির অনুমতি পাওয়ার পর থেকেই দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি অব্যাহত রেখেছেন বন্দরের আমদানিকারক।
সূত্র জানায়, শুধু হিলি স্থলবন্দর দিয়ে নয়, দেশের সবগুলো স্থলবন্দর দিয়েই ভারত থেকে প্রচুর পরিমাণে কাঁচা মরিচ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। যার কারণে দেশের বাজারে আবারো দাম কমতে শুরু করেছে।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন প্রতাব মল্লিক জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। তবে মঙ্গলবার জাতীয় শোক দিবসের ছুটির কারণে একদিন বন্ধের পর বুধবার (১৬ আগস্ট) বন্দর দিয়ে দু’দেশের মাঝে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য শুরু হয়। এক দিনেই বন্দর দিয়ে ৯টি ট্রাকে ৬৫ হাজার ৮৫৫ কেজি কাঁচা মরিচ আমদানি হয়। কাঁচা মরিচ যেহেতু একটি কাঁচাপণ্য গরমে ও বৃষ্টিতে পচে নষ্ট হয়। যার কারণে কাস্টমসের সকল প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত যেন বন্দর থেকে খালাস করে নিতে পারে বন্দর কর্তৃপক্ষ তার জন্য সবধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে রেখেছে।
প্রসঙ্গত, দেশে কাঁচা মরিচের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠলে গত ২৫ জুন কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। এর ফলে দীর্ঘ ১০ মাস বন্ধের পর গত ২৬ জুন ভারত থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়। হিলি স্থলবন্দরের কয়েকজন আমদানিকারক কয়েক হাজার টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি পেয়েছেন।