জেলা আ’লীগের দপ্তর সম্পাদক নিকাহ রেজিস্ট্রার কাজি আবুল কালামসহ অন্যরা পলাতক।
একটি ধর্ষণ মামলা থেকে বাঁচতে জালিয়াতি করে ভুয়া কাবিন (নিকাহনামা) তৈরির মামলায় মো. মনির হোসেন নামের এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির একজন শিক্ষানবিশ আইনজীবী। গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইতে গেলে বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আফনান সুমি শুনানি শেষে এ আদেশ প্রদান করেন। আদালত ও মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, মূলত একটি ধর্ষণ মামলা থেকে আসামিকে বাঁচানোর অসৎ উদ্দেশ্যে জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার ৩নং ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) মোহাম্মদ আবুল কালাম (৫০), শিক্ষানবিশ আইনজীবী মো. মনির হোসেন এবং তাদের সহযোগীরা মিলে একটি জাল কাবিন তৈরি করেন।
জালিয়াতির মাধ্যমে এই ভুয়া কাবিননামা তৈরির অপরাধে জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) আবুল কালাম ও মনির হোসেনসহ মোট ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) শিক্ষানবিশ আইনজীবী মো. মনির হোসেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফনান সুমির আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন।
আদালত শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন খারিজ করে দেন এবং তাকে আটক করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। জানা গেছে, এই মামলায় শিক্ষানবিশ আইনজীবী মনির হোসেন কারাগারে গেলেও মামলার মূল অভিযুক্ত ৩নং ওয়ার্ডের কাজী মোহাম্মদ আবুল কালামসহ মামলার প্রধান আসামী রুবেল মিয়া সরকার ও কাজীর সহকারী সাইফুল ইসলাম এখনো পলাতক রয়েছেন।
পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।মূল হোতা ৩ নং ওয়ার্ডের কাজী আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম ধরাচোয়ার বাইরে। তার সহযোগী এখন জেলা ওলামা দলের সদস্য সচিব ইয়াহিয়া। তারা কাজি সমিতির সিন্ডিকেটের লোক। তারা একই সূত্রে গাথা। ইয়াহিয়া আওয়ামী লীগের লোক। আইন মন্রী এড আনিসুল হকের লোক। ইয়াহিয়া কে ওলামা দল হতে বাধ দেয়া দরকার। উল্লেখ্য যে, বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে জেলা
আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৈার এলাকার ৩ নং ওয়ার্ডের কাজি আবুল কালাম ও কসবা পৈার এলাকার কাজি হালে জাতীয়তাবাদী জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা ইয়াহিয়ার নেতৃত্বে কাজি সমিতির মাধ্যমে তারা বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে সুবিধা ভোগী দোসর দালালীসহ দিনের ভোট ও রাতের ভোটে তারা সার্বিকসহযোগিতা করেছে।
জনগণের দাবী নিকাহ রেজিস্ট্রারদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্হা নেয়ার দাবী উঠেছে।