https://Dingdong77game.com https://www.olimpiocotillo.com/ https://www.rdcongoleopardsfoot.com/ https://takeoveranddestroy.com/ https://plaintextebooks.com/ https://moderate-ri.org/ https://addictedtoseries.com/ https://nasstimes.com/ https://ellenlanyon.com/ https://axres.com/ https://hbfasia.org/ https://pavlograd-official.org/ https://ape77slot.com/ https://ape77sport.com/ https://christopheranton.org/ https://eriksmith.org/ https://jaytotoslot.org/ https://mexicovolitivo.com/ https://www.dirtyjokepost.com/ https://bobasportgame.org/ https://139.180.186.42/dingdong77/ https://jaytoto.org/ https://superanunciosweb.com/ দেশের ৬০ জেলায় ডেঙ্গু ছড়িয়েছে - atv sangbad দেশের ৬০ জেলায় ডেঙ্গু ছড়িয়েছে - atv sangbad দেশের ৬০ জেলায় ডেঙ্গু ছড়িয়েছে - atv sangbad
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
প্রেমের টানে পিরোজপুর এসে আশাহত হয়ে ফিরলেন চীনা যুবক এশিয়া পোস্ট বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি মো: জামাল উদ্দিন ও তার পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা। গাইবান্ধায় ২৭০০ পিস ইয়াবাসহ আটক মাদক ব্যবসায়ী মনির। সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় বিট পুলিশিং ও কমিউনিটি পু্লিশিং সভা তানোরে জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানে ১৮টি বকনা বাছুর বিতরণ কবি নজরুল ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে স্থান পরিদর্শন করলেন মাননীয় ডিসি সাহেব মিসস লুৎফুন নাহার। পশ্চিমবঙ্গ ইস্যু ও বাণিজ্য চুক্তির প্রতিবাদে রাজধানীতে জমিয়তের বিক্ষোভ মিছিল কুলাউড়ায় স্কুল ফিডিংয়ে নিম্ন মানের খাদ্য বিতরণের অভিযোগ কুলাউড়ায় স্কুল ফিডিংয়ে নিম্ন মানের খাদ্য বিতরণের অভিযোগ

দেশের ৬০ জেলায় ডেঙ্গু ছড়িয়েছে

রিপোর্টার নাম / ১৪০ Time View
Update : সোমবার, ১০ জুলাই, ২০২৩, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর গত দুই দশকের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, বছরের জুলাই মাসের শেষে বা আগস্টের শুরু থেকে ডেঙ্গুর সংক্রমণ ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। কিন্তু এ বছর জুলাই মাসের শুরু থেকেই পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। ২০১৯ সালে দেশে সবচেয়ে বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। ওই বছরের প্রথম সাত মাসে অর্থাৎ ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৮৩৮। আর গতকাল রোববার (৯ জুলাই) এক দিনেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৩৬ জন। এই সংখ্যা এক দিনে হাসপাতালে ভর্তির দিক থেকে (চলতি বছরে) সর্বোচ্চ।

এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি মশকনিধনে সিটি করপোরেশনের সক্রিয়তা আরও বাড়ানো। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারিভাবে প্রচার-প্রচারণা জোরদার করা দরকার, যাতে মানুষ সচেতন হয়।এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি মশকনিধনে সিটি করপোরেশনের সক্রিয়তা আরও বাড়ানো। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারিভাবে প্রচার-প্রচারণা জোরদার করা দরকার, যাতে মানুষ সচেতন হয়।

জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলেন, ডেঙ্গু নির্মূল করা প্রায় অসম্ভব। একটি অঞ্চলে বা দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দিলে তা আর যায় না। তবে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখার বৈশ্বিক নজির আছে।

দেশে প্রথম ডেঙ্গু ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে ২০০০ সালে। এরপর থেকে প্রতিবছরই মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে। প্রতিবছর ডেঙ্গু নিয়ে কথাবার্তা ও আলাপ-আলোচনা শুরু হয় বর্ষা মৌসুমে আক্রান্তের বা মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার পর। সরকারের পক্ষ থেকে সমস্যার আপাত সমাধানে কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়, কাজ করা হয় অনেকটা অস্থায়ী ভিত্তিতে। ডেঙ্গুর মৌসুম শেষ হলে এডিস মশার বিষয়গুলো সরকারি কর্মকর্তাদের আর মনে থাকে না।মশার উপস্থিতি জানার জন্য সরকারের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখা প্রতিবছর তিনটি জরিপ করে। বর্ষা মৌসুমের আগে, বর্ষা মৌসুমের সময় এবং বর্ষার শেষে। এই জরিপ হয় মূলত ঢাকা শহরে। এই তিনটি জরিপ থেকে ঢাকার মশা পরিস্থিতির কিছুটা পূর্বাভাস পাওয়া যায়। মশা মারার দায়িত্ব মূলত সিটি করপোরেশনের। রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার মশা জরিপের ফলাফল স্থানীয় সরকার বা সিটি করপোরেশন কোনো কাজে লাগায় না বা কাজে লাগানোর সামর্থ্য তাদের নেই বলে মনে করেন কীটতত্ত্ববিদেরা।

এ বিষয়ে কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশার বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণ একটি বিশেষায়িত কাজ। এ কাজ কীটতত্ত্ববিদের। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে কোনো কীটতত্ত্ববিদ নেই। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে প্রেষণে একজন দায়িত্ব পালন করছেন। সারা দেশেই এই জনবলের সংকট আছে।

অন্যদিকে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) কীটতত্ত্ববিদের পদ আছে চারটি, এর দুটি পদ শূন্য।

ডেঙ্গুর ধরন চারটি: ডেন-১, ডেন-২, ডেন-৩ ও ডেন-৪। বর্তমানে ডেঙ্গুর দুটি ধরনে দেশের মানুষ বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। আইইডিসিআর সূত্রে এটি জানা গেছে।

গতকাল নিজ কার্যালয়ে আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক তাহমিনা শিরিন  বলেন, প্রায় ৩০০ রোগীর নমুনা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৫১ দশমিক ৫ শতাংশের সংক্রমণ ডেন-২–এ এবং ৪৩ দশমিক ৯ শতাংশের সংক্রমণ ডেন-৩–এ। বাকি ৪ দশমিক ৬ শতাংশ রোগী একই সঙ্গে ডেন-২ ও ডেন-৩–এ আক্রান্ত।

জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলেন, একটি ধরন সক্রিয় থাকলে তুলনামূলক ঝুঁকি কম। কোনো ব্যক্তি প্রথমে একটি ধরন এবং পরে অন্য একটি ধরনে আক্রান্ত হলে রোগের জটিলতা দেখা যায়।

জনস্বাস্থ্যবিদ বেনজীর আহমেদ বলেন, দেশে ডেঙ্গুর একাধিক ধরন ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে যাচ্ছে। মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়েরও প্রস্তুতি দরকার। তবে এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি মশকনিধনে সিটি করপোরেশনের সক্রিয়তা আরও বাড়ানো। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারিভাবে প্রচার-প্রচারণা জোরদার করা দরকার, যাতে মানুষ সচেতন হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ