https://Dingdong77game.com https://www.olimpiocotillo.com/ https://www.rdcongoleopardsfoot.com/ https://takeoveranddestroy.com/ https://plaintextebooks.com/ https://moderate-ri.org/ https://addictedtoseries.com/ https://nasstimes.com/ https://ellenlanyon.com/ https://axres.com/ https://hbfasia.org/ https://pavlograd-official.org/ https://ape77slot.com/ https://ape77sport.com/ https://christopheranton.org/ https://eriksmith.org/ https://jaytotoslot.org/ https://mexicovolitivo.com/ https://www.dirtyjokepost.com/ https://bobasportgame.org/ https://139.180.186.42/dingdong77/ https://jaytoto.org/ https://superanunciosweb.com/ দেশে অপ্রয়োজনীয় আট স্থলবন্দর! - atv sangbad দেশে অপ্রয়োজনীয় আট স্থলবন্দর! - atv sangbad দেশে অপ্রয়োজনীয় আট স্থলবন্দর! - atv sangbad
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাজিরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যু নোয়াখালীতে বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে আপত্তিকর ভিডিও, দুই শিক্ষক বরখাস্ত নাটোরে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সচেতনতা সভা তুরস্কের উপকূলে দু’টি কার্গো জাহাজের মধ্যে মুখোমুখী সংঘর্ষের পর একটি নিখোঁজ এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে : রিজভী শাহজালালে স্বর্ণালংকারসহ ২জন আটক ইরানের ভূখণ্ডে মার্কিন হামলায় নিহত ১১: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম চোরাচালান, মাদক ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিজিবির প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান নৈতিকতাবোধ থেকেই অফিস থেকে হাসিনার ছবি সরিয়ে ছিলাম : জাবি অধ্যাপক শামীমা সুলতানা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৭.৪১ বিলিয়ন ডলার

দেশে অপ্রয়োজনীয় আট স্থলবন্দর!

এস এম জামান, এটিভি সংবাদ / ৩৩৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৫, ৮:০০ অপরাহ্ন

তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার দাবি… 

এস এম জামান, এটিভি সংবাদ //

বিগত সরকারের আমলে শুধু অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে নানা অযৌক্তিক প্রকল্প গ্রহণের বিষয়টি বহুল আলোচিত। স্থলবন্দর নির্মাণেও তেমনটাই দেখা গেছে। মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরত্বে নির্মাণ করা হয়েছে তিনটি স্থলবন্দর। তিন স্থলবন্দরের জন্য অধিগ্রহণ করা হয়েছে ৬০.৪ একর জমি। সেখানে অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয় হয়েছে অন্তত ১৪৩ কোটি টাকা। অথচ এ তিনটি স্থলবন্দর চলছে ঢিমেতালে। পণ্য না থাকায় কখনো কখনো বন্দর কার্যক্রম বন্ধ থাকে। যদিও এসব বন্দরে রাজস্ব বিভাগ, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত অবস্থান করতে হয়।

এ পর্যন্ত এই তিন স্থলবন্দর থেকে ২০ কোটি টাকাও আয় হয়নি কর্তৃপক্ষের। জানা গেছে, স্থলবন্দর তিনটি নির্মাণের নেপথ্যে ছিলেন বিগত সরকারের তিনজন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও এক মুখ্য সচিব। বন্দর তিনটি হচ্ছে-শেরপুরের নাকগাঁও, ময়মনসিংহের গোবড়াকুড়া-কড়ইতলী এবং জামালপুরের ধানুয়া-কামালপুর।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই তিন জেলায় একটি অথবা সর্বোচ্চ দুটি স্থলবন্দরই যথেষ্ট ছিল। অথচ সেখানে তিনটি স্থলবন্দর নির্মাণ করা হয়েছে, যার ছিল না কোন প্রয়োজনীয়তা। শুধু তাই নয়, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় মাত্র তিন কিলোমিটার ব্যবধানে গোবড়াকুড়া ও কড়ইতলী নামে দুটি পৃথক শুল্ক স্টেশন নির্মাণ করা হয়েছে, যদিও এ দুটি টার্মিনালের বিপরীতে ভারতের মেঘালয়ে রয়েছে মাত্র একটি স্থলবন্দর।

প্রকৃতপক্ষে সারাদেশে আটটি স্থলবন্দরের তথ্য পাওয়া গেছে, যেগুলো দেশের মানুষের তেমন কোন উপকারে আসছে না। এসব বন্দরকে ‘অপ্রয়োজনীয়’ বলে জানিয়েছেন স্থলবন্দরের সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা। প্রভাবশালীদের তদবির বা চাপে সেগুলোকে বন্দর ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। ওই আটটি স্থলবন্দরের মধ্যে ছয়টির কার্যকারিতা একদম নেই। কয়েকটির ভারতীয় অংশে কোনো স্থাপনাও নেই। অথচ এসব স্থলবন্দর নির্মাণে এ পর্যন্ত অন্তত সাড়ে চারশ কোটি টাকা খরচ করেছে আওয়ামী সরকার। প্রায় ৮৭ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। নির্মাণ করা হয়েছে বিশাল বিশাল অবকাঠামো। স্থলবন্দর হিসাবে ব্যবহার না থাকায় এসব অবকাঠামো এখন বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওই আটটি স্থলবন্দরের মধ্যে একটি ছাড়া বাকি সাতটিই বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তৈরি। অপ্রয়োজনীয় স্থলবন্দরের বিষয়ে নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, অনেক স্থলবন্দর জনগণের উপকারে আসছে না, অথচ সেখানে বিপুল পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ হয়েছে। ওইসব বন্দর এখন দেশের বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেসব বন্দর মানুষের কাজে লাগছে না, সেগুলোর বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। ওই কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে। উল্লেখ্য, দেশের সীমান্তে ২৪টি স্থলবন্দর আছে। এর মধ্যে ২৩টি ভারতের সঙ্গে এবং একটি (টেকনাফ) মিয়ানমারের সঙ্গে। এর মধ্যে ১৬টি সচল এবং বাকি ৮টি চালুর অপেক্ষায়।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, একের পর এক প্রকল্পে অপচয়ের যেসব খবর মিলছে, তাতে পরিস্থিতি বিবেচনা করে সংশ্লিষ্টদের উচিত এর পেছনে কী উদ্দেশ্য ছিল এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তাদের খুঁজে বের করা; একইসঙ্গে এগুলোর কার্যকারিতা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া। বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়টিও সর্বজনবিদিত। দুর্নীতি আমাদের অন্যতম বড় সমস্যা। এটি কঠোরভাবে দমন করা খুবই প্রয়োজন। স্থলবন্দরসহ দেশে অযৌক্তিক প্রকল্পগুলোর বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এমনটাই প্রত্যাশা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ