৯ জানুয়ারী (শুক্রবার) অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস ও বিভিন্ন অনিয়মের কারনে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে সারা দেশের ন্যায় আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে গাইবান্ধা জেলা শহরের প্রান কেন্দ্রে গাইবান্ধা জেলা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এ মানববন্ধনটিতে সক্রিয়ভাবে
উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সমন্বয়ক আবুল বাশার, শিক্ষক তাজুল ইসলাম তমাল, আব্দুল মন্তাকিম, শিক্ষার্থী সাব্বির আহম্মেদ মুকুট, মেহেদী হাসান,সাগর ইসলাম, মোকাব্বির, আশা খাতুন সহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।বক্তাতারা তাদের বক্তব্যে ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন।
তাদের দাবিগুলো ছিলোঃ-
পরীক্ষা বাতিল করতে হবে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা নিতে হবে।
সকল চাকরি পরীক্ষা ঢাকায় নিতে হবে এবং প্রতিটি কেন্দ্রে ডিভাইস চ্যাকার ও নেটওয়ার্ক জ্যামার রাখতে হবে।
একটি স্বতন্ত্র কমিটি গঠন করতে হবে এবং তার আওতায় সকল পরীক্ষা নিতে হবে এবং একই দিনে একই সময়ে একাধিক পরীক্ষা নেওয়া যাবে না।
যে সকল প্রতিষ্ঠানে বিগত সালে পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের রেকর্ড আছে তাদেরকে কোনো ভাবেই প্রশ্ন প্রনয়ন করার দায়িত্ব দেওয়া যাবে না।
যদি কোনো কারনে প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার তথ্য প্রমাণিত হয় তাহলে এর সাথে জড়িত সকলকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করতে হবে।
এদিকে শিক্ষার্থীরা জানান,প্রতিবছর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলে কোননা কোনভাবে অনিয়ম কিংবা দুর্নীতি হয়। অনেকে আবার এভাবেই চাকরি নিচ্ছে। এতে করে যারা মেধাবী রয়েছে তারা পরে থাকছে বাহিরে এবং অনিয়মের মাধ্যমে যারা চাকুরি পাচ্ছে তারা থাকছে স্কুলে। এতে মেধার কোন মুল্যয়ন হবে না।নতুন প্রজন্মের বাচ্চারা কি শিক্ষা পাবে তা আর বলার থাকে না।তাই এমন অনিয়মের বেড়াজাল ভেঙ্গে পরীক্ষা নিতে হবে যাতে মেধাবীরা যোগ্য স্থানে আসন পেতে পারে।