আমাদের রান্নাঘরের এক অবিচ্ছেদ্য উপাদান এই তেল। ফোড়ন, ঝাল, ভাজা—সব ক্ষেত্রেই তেল প্রয়োজন।”
স্বাস্থ্যসেবা, এটিভি সংবাদ//
আমাদের রান্নাঘরের এক অবিচ্ছেদ্য উপাদান এই তেল। ফোড়ন, ঝাল, ভাজা—সব ক্ষেত্রেই তেল প্রয়োজন।”
ডা. গোয়েলের মতে, সরিষার তেল, সূর্যমুখী তেল ও জলপাই তেল—এই তিনটি তুলনামূলকভাবে হৃদ স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। তবে আমাদের দেশে রান্নার জন্য সবচেয়ে উপযোগী হলো সরিষার তেল।”
অপরিশোধিত বা কাঁচা সরিষার তেলের স্মোক পয়েন্ট প্রায় ২৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ফলে বেশি তাপে রান্না হলেও এই তেল সহজে পুড়ে যায় না এবং এর পুষ্টিগুণ অনেকটাই বজায় থাকে। এতে থাকা ভালো ফ্যাট হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী।
সূর্যমুখী তেলও হৃদরোগীদের জন্য ভালো বিকল্প হলেও জলপাই তেলের স্মোক পয়েন্ট কম হওয়ায় এটি আমাদের দেশের রান্নায় খুব বেশি উপযোগী নয়।
“কেন রিফাইন তেল এড়ানো জরুরি”
পরিশোধিত বা রিফাইন তেল উচ্চ তাপ ও রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়ায় তেলে ক্ষতিকর উপাদান তৈরি হতে পারে, যা দীর্ঘদিন খেলে খারাপ কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দেয়।”
মাঝে মধ্যে ভাজাপোড়া খেলে বড় কোনো সমস্যা না হলেও নিয়মিত অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার খেলে ধমনিতে চর্বি জমা, দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ, স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়।”
“প্রতিদিন কতটা তেল নিরাপদ”
“এই পরিমাণ একজন সুস্থ মানুষের জন্য নিরাপদ বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
“হৃদরোগীদের জন্য বিশেষ পরামর্শ”
যারা ইতোমধ্যেই হৃদরোগে আক্রান্ত, তাদের ক্ষেত্রে তেল গ্রহণের পরিমাণ আরো কম হওয়া প্রয়োজন। ডা. গোয়েলের মতে, হৃদরোগীদের জন্য মাসে ৭৫০ মিলিলিটারের বেশি তেল গ্রহণ করা উচিত নয়। তিনি পরামর্শ দেন, মোট তেলের মধ্যে ৮০ শতাংশ সরিষার তেল এবং ২০ শতাংশ ঘি বা মাখন ব্যবহার করলে স্বাদ ও পুষ্টির সঠিক ভারসাম্য বজায় থাকে।”
সঠিক তেল নির্বাচন এবং নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারই অল্প বয়সে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোর অন্যতম উপায়। সুস্থ থাকতে চাইলে আজ থেকেই রান্নার তেলের দিকে বিশেষ নজর দিন।”