https://Dingdong77game.com https://www.olimpiocotillo.com/ https://www.rdcongoleopardsfoot.com/ https://takeoveranddestroy.com/ https://plaintextebooks.com/ https://moderate-ri.org/ https://addictedtoseries.com/ https://nasstimes.com/ https://ellenlanyon.com/ https://axres.com/ https://hbfasia.org/ https://pavlograd-official.org/ https://ape77slot.com/ https://ape77sport.com/ https://christopheranton.org/ https://eriksmith.org/ https://jaytotoslot.org/ https://mexicovolitivo.com/ https://www.dirtyjokepost.com/ https://bobasportgame.org/ https://139.180.186.42/dingdong77/ https://jaytoto.org/ https://superanunciosweb.com/ জ্ঞান, গবেষণা ও ভারসাম্যের প্রতীক আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.) - atv sangbad জ্ঞান, গবেষণা ও ভারসাম্যের প্রতীক আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.) - atv sangbad জ্ঞান, গবেষণা ও ভারসাম্যের প্রতীক আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.) - atv sangbad
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অ্যাপলের নতুন সিইও টার্নাসের বেতন, কুকের আয় কমল কত? পরকালে কোরআন যাদের পক্ষে সুপারিশ করবে উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়ানোর ‘বাস্তবতা’ মোকাবিলা করতে হবে : জাতিসংঘ হার্ট অ্যাটাকের এই নীরব সতর্কসংকেত অবহেলা করলেই বিপদ পাকস্থলীর অ্যাসিড কি রেজর ব্লেড গলিয়ে দেয়? জানুন আসল সত্য বাগেরহাটে বজ্রপাতে দুই ভাইয়ের মৃত্যু বিলুপ্তির স্রোতে টিকে থাকা গাইবান্ধার গ্রামীণ জনপদের পলো বাওত উৎসব জাগতিক জ্ঞানের পাশাপাশি কুরআন-সুন্নাহর শিক্ষাও জরুরি: শায়খে চরমোনাই হরিপুরে অধ্যাপক ডা. হাসিনা আফরোজের ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত সোনাহাট স্থলবন্দর পরিদর্শনে ভুটানের প্রতিনিধি দল

জ্ঞান, গবেষণা ও ভারসাম্যের প্রতীক আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.)

অনলাইন ডেস্ক, এটিভি সংবাদ / ৪৭ Time View
Update : বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ৭:২৪ অপরাহ্ন
জ্ঞান, গবেষণা ও ভারসাম্যের প্রতীক আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.)
জ্ঞান, গবেষণা ও ভারসাম্যের প্রতীক আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.)

অনলাইন ডেস্ক, এটিভি সংবাদ //

ইসলামী জ্ঞানচর্চার ইতিহাসে এমন কিছু মনীষীর আবির্ভাব ঘটেছে, যাঁদের জ্ঞান, গবেষণা ও তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ যুগে যুগে সমাদৃত হয়েছে এবং মানুষের জীবন ও চিন্তাধারাকে প্রভাবিত করেছে। আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.) ছিলেন তেমনই একজন মনীষী, যার রচনাবলি আজও ইসলামী জ্ঞানচর্চায় নির্ভরযোগ্যতা ও ভারসাম্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

নাম ও পরিচয় : তাঁর নাম ইসমাইল, পিতার নাম ওমর। ইমাদুদ্দিন তাঁর উপাধি এবং আবুল ফিদা উপনাম।

‘ইবনে কাসির’ নামে তিনি অধিক পরিচিত। তিনি শাফেয়ি মাজহাবের প্রখ্যাত ফকিহ ছিলেন এবং সে অনুযায়ী ফতোয়া প্রদান করতেন। (ভূমিকা, জামিউল মাসানিদি ওয়াস সুনান : ১/১৭,২২)

জন্ম ও শৈশব : আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.) সিরিয়ার ঐতিহাসিক বসরা নগরীতে ৭০১ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলায় তিনি পিতাকে হারান।

ফলে তাঁর জীবন শুরু হয় সংগ্রামের ভেতর দিয়ে। পিতার মৃত্যুর পর তিনি পরিবারের সঙ্গে দামেস্ক গমন করেন। সেখানেই তাঁর প্রাথমিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু হয়। (ভূমিকা, আত তাকমিল ফিল জারহি ওয়াত তাদিল : ১/৯-১০)
বিখ্যাত শিক্ষকগণ : তিনি যুগসেরা অনেক আলেমের কাছ থেকে শাস্ত্রীয় জ্ঞান লাভ করেন।

তাঁদের বিখ্যাত কয়েকজন হলেন—ইবনে তাইমিয়া (রহ.), তিনি তাঁর সান্নিধ্যে দীর্ঘ সময় অবস্থান করেন এবং তাঁর মতবাদ ও দর্শনে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হন। আবু হাসান আল-মিজ্জি (রহ.), সম্পর্কে তিনি তাঁর শ্বশুরও বটে। ইমাম হাফেজ জাহাবি (রহ.), ইতিহাসবিদ ও জীবনীকার। (প্রাগুক্ত)

বিখ্যাত ছাত্র যাঁরা : তিনি দামেস্কের মসজিদ ও মাদরাসায় নিয়মিত পাঠদান করতেন। তাঁর পাঠদান ছিল গভীর, সুসংহত ও দলিলনির্ভর।

অসংখ্য ছাত্র তাঁর কাছ থেকে হাদিস, তাফসির ও ইতিহাস শিখে যুগশ্রেষ্ঠ আলেমে পরিণত হন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন—হাফেজ জাইনুদ্দিন ইরাকি, আবু জুরআ ইরাকি, ইবনুল জাজারি আল মুকরি। (প্রাগুক্ত : ১/১১)
বিভিন্ন শাস্ত্রে কৃতিত্ব : ইবনে কাসির (রহ.) ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও মননশীল। তিনি জ্ঞানকে শুধু পাঠদানেই সীমিত রাখেননি, বরং লেখনীর মাধ্যমে এমনভাবে উপস্থাপন করেছেন, যা আজও মানুষের চিন্তা ও জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে চলছে। তিনি প্রায় সব শাস্ত্রেই গ্রন্থ রচনা করেছেন। যেমন—

১. তাফসির শাস্ত্র : তাঁর জীবনের বড় অমর কীর্তি হলো ‘তাফসিরুল কোরআনিল আজিম’, যা তাফসিরে ইবনে কাসির নামে বিখ্যাত। কোরআন-হাদিস ও নির্ভরযোগ্য সূত্র নির্ভর তাফসির গ্রন্থ হিসেবে বিশ্বব্যাপী এটি সমাদৃত।

২. ইতিহাস শাস্ত্র : ইতিহাস শাস্ত্রে তাঁর সর্বাধিক প্রশংসিত গ্রন্থ হলো ‘আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া’। এতে তিনি আদম (আ.) থেকে শুরু করে নিজের সময় পর্যন্ত ঘটনাবলি দলিল, বিশ্লেষণ ও সমালোচনার আলোকে উপস্থাপন করেছেন। ইতিহাসকে তিনি শুধু বর্ণনামূলকভাবে নয়, বরং শিক্ষণীয় ও আকিদাগত দৃষ্টিকোণ থেকেও বিশ্লেষণ করেছেন।

৩. হাদিসশাস্ত্র : হাদিসশাস্ত্রেও ইবনে কাসির (রহ.)-এর অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই শাস্ত্রে তাঁর মূল্যবান গ্রন্থ হলো ‘জামিউল মাসানিদি ওয়াস সুনান’। এতে তিনি প্রধানত ১০টি প্রসিদ্ধ গ্রন্থের হাদিস একত্র করার চেষ্টা করেছেন। গ্রন্থগুলো হলো সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম, সুনানে নাসায়ি, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে তিরমিজি, সুনানে ইবনে মাজাহ, মুসনাদে আহমদ, মুসনাদে আবি ইআলা, মুসনাদে বাজজার এবং আল-মুজামুল কাবির। এই শাস্ত্রে তাঁর আরো কয়েকটি গ্রন্থ হলো—আল ফুসুল ফি ইখতিসারি সিরাতির রাসুল, ইখতিসারু উলুমিল হাদিস, আত-তাকমিল ফিল জারহি ওয়াত তাদিল। (ভূমিকা, জামিউল মাসানিদি ওয়াস সুনান: ১/২৫-২৮)

আলেমদের মূল্যায়ন : আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.) ছিলেন এক বিস্ময়কর ও বহুমাত্রিক প্রতিভা। যুগে যুগে আলেমরা তাঁর জ্ঞান ও প্রজ্ঞার স্বীকৃতি দিয়েছেন। ইমাম শামসুদ্দিন জাহাবি (রহ.) বলেন, ‘তিনি একজন ইমাম, হাদিসবিশারদ ও বিজ্ঞ মুফতি।’ ইবনুল ইমাদ হাম্বলি (রহ.) লেখেন, ‘তিনি একজন প্রখর মেধাবী, অল্প বিস্মৃতিপ্রবণ এবং উন্নত বোধের অধিকারী।’ (শাজারাতুজ জাহাব : ৮/৩৯৭)

ইন্তেকাল : ৭৭৪ সনের শাবান মাসে তিনি আপন প্রভুর সান্নিধ্যে প্রত্যাবর্তন করেন। দামেস্কের ঐতিহ্যবাহী কবরস্থান সুফিয়ায় তাঁকে দাফন করা হয়। তিনি শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া (রহ.)-এর পাশেই সমাহিত হন। (শাজারাতুজ জাহাব : ৮/৩৯৯)

আল্লাহ এই মহান আলেমের জ্ঞান ও প্রজ্ঞা দ্বারা আমাদের উপকৃত হওয়ার তাওফিক দিন। আমিন।

এটিভি/এসএম/ইসলামী জীবন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ