https://Dingdong77game.com https://www.olimpiocotillo.com/ https://www.rdcongoleopardsfoot.com/ https://takeoveranddestroy.com/ https://plaintextebooks.com/ https://moderate-ri.org/ https://addictedtoseries.com/ https://nasstimes.com/ https://ellenlanyon.com/ https://axres.com/ https://hbfasia.org/ https://pavlograd-official.org/ https://ape77slot.com/ https://ape77sport.com/ https://christopheranton.org/ https://eriksmith.org/ https://jaytotoslot.org/ https://mexicovolitivo.com/ https://www.dirtyjokepost.com/ https://bobasportgame.org/ https://139.180.186.42/dingdong77/ https://jaytoto.org/ https://superanunciosweb.com/ রমজান মাসে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয় - atv sangbad রমজান মাসে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয় - atv sangbad রমজান মাসে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয় - atv sangbad
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অ্যাপলের নতুন সিইও টার্নাসের বেতন, কুকের আয় কমল কত? পরকালে কোরআন যাদের পক্ষে সুপারিশ করবে উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়ানোর ‘বাস্তবতা’ মোকাবিলা করতে হবে : জাতিসংঘ হার্ট অ্যাটাকের এই নীরব সতর্কসংকেত অবহেলা করলেই বিপদ পাকস্থলীর অ্যাসিড কি রেজর ব্লেড গলিয়ে দেয়? জানুন আসল সত্য বাগেরহাটে বজ্রপাতে দুই ভাইয়ের মৃত্যু বিলুপ্তির স্রোতে টিকে থাকা গাইবান্ধার গ্রামীণ জনপদের পলো বাওত উৎসব জাগতিক জ্ঞানের পাশাপাশি কুরআন-সুন্নাহর শিক্ষাও জরুরি: শায়খে চরমোনাই হরিপুরে অধ্যাপক ডা. হাসিনা আফরোজের ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত সোনাহাট স্থলবন্দর পরিদর্শনে ভুটানের প্রতিনিধি দল

রমজান মাসে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয়

অনলাইন ডেস্ক,এটিভি সংবাদ / ৫০ Time View
Update : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৫ পূর্বাহ্ন
রমজান মাসে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয়
রমজান মাসে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয়

অনলাইন ডেস্ক,এটিভি সংবাদ //

রোজা পালনের উদ্দেশ্য হলো আল্লাহভীতি অর্জনের মাধ্যমে মুমিনের আত্মিক উন্নতি নিশ্চিত করা। আর মানুষের শরীরের সঙ্গে আত্মার গভীর সংযোগ রয়েছে। এ জন্য আল্লাহ আত্মিক পরিশুদ্ধি লাভের মাধ্যম বানিয়েছেন রোজাকে, যার মূলকথা হলো পানাহার ও ভোগ সম্ভোগ ত্যাগ করা। মানুষের এই ভোগ সম্ভোগ ত্যাগ করার ভেতর মুমিনের আত্মিক উন্নতির পাশাপাশি স্বাস্থ্যগত উপকারও রয়েছে।

তাই রমজানে পরিমিত ও স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করা আবশ্যক।রমজানে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর খাদ্যাভ্যাস লক্ষ করলে দেখা যায় তিনি পরিমিত ও স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করতেন। যেমন তিনি ইফতারে খেজুর ও পানীয় গ্রহণ করতেন। কখনো কখনো খেজুরের সঙ্গে ক্ষীরা মিশিয়ে খেতেন।

খাবার কেন পরিমিত হতে হবে

দেহ ও আত্মার সমন্বয়ে মানুষ। আত্মার সম্পর্ক ঊর্ধ্ব জগতের সঙ্গে এবং তা ফেরেশতার গুণাবলি ধারণ করে। আর দেহের সম্পর্ক নশ্বর জগতের সঙ্গে এবং তা পশুর বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। একইভাবে খাবার প্রাকৃতিক নিয়মে নশ্বর পৃথিবীতে জন্ম নেয়।

তাই খাবারের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে মানুষের ভেতর পশুর বৈশিষ্ট্য প্রবল হয়। আর পরিমিত খাবার গ্রহণ করলে মানুষের ভেতর ফেরেশতার গুণাবলি বিকশিত হয়। কেননা ফেরেশতারা পানাহার করে না। রোজার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো আত্মাকে উপোস রেখে পশুত্ব বিলোপ করা এবং আত্মিক উন্নয়ন ঘটানো।

রমজান স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির মাস

রমজান শুধু ইবাদত-বন্দেগির মাস নয়, বরং এটা স্বাস্থ্যসচেতনতা তৈরিরও মাস।

কেননা রমজান মানুষকে খাবার গ্রহণে সংযমের শিক্ষা দেয়। আর পরিমিত খাবার গ্রহণ শারীরিক সুস্থতার অন্যতম মাধ্যম। ইসলামের প্রাথমিক যুগে একজন চিকিৎসক মদিনায় এসেছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন, মদিনায় যেহেতু খুব বেশি চিকিৎসক নেই, তাই তিনি হয়তো অনেক বেশি উপার্জন করতে পারবেন। কিন্তু বেশ কিছুদিন অবস্থানের পরও কোনো রোগী এলো না। তখন তিনি নবীজি (সা.)-এর কাছে এসে কারণ জানতে চাইলেন। তখন মহানবী (সা.) বললেন, মদিনার অধিবাসীরা ভালোমতো ক্ষুধা না লাগলে খায় না এবং খাওয়ার সময় উদরপূর্তি করে খায় না। সামান্য ক্ষুধা বাকি থাকতে খাওয়া বন্ধ করে দেয়। এ জন্য তাদের রোগ কম হয়। খাদ্য গ্রহণে এই পরিমিতি বোধই সুস্থতার সর্বোত্তম পদ্ধতি।সাহরিতে যা খাবেন

সাহরিতে রোজাদার যা খায় সেটা তার সারা দিনের ক্ষুধা ও পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে। তাই সাহরিতে এমন খাবার প্রস্তুত করা প্রয়োজন যা ক্ষুধা ও পুষ্টি উভয় প্রয়োজন পূরণ করতে সক্ষম। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের পরামর্শ হলো :

১. শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার গ্রহণ করা, যা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে। এমন খাবারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো চাল, গম, যব, আলু, মিষ্টি আলু, মটর, গাজর, দুধ, কলা ইত্যাদি।

২. প্রোটিনযুক্ত খাবার গ্রহণ করা। এটা শারীরিক দুর্বলতা রোধ করে। এমন খাবারের মধ্যে আছে ডিম, দুধ, দই, মুরগি, ডাল ইত্যাদি।

৩. ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা। ফাইবারযুক্ত খাবার হজমের পক্ষে ভালো। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ফল, সবজি ও ড্রাই ফ্রুট জাতীয় খাবার।

৪. পানি ও পানীয়জাতীয় খাবার গ্রহণ করা, যেন শরীরে ডিহাইড্রেশন তৈরি না হয়।

৫. চা ও কফি না খাওয়া। কেননা এগুলো শরীরে পানিস্বল্পতা তৈরি করে।

ইফতারিতে যা খাবেন

ইফতারের সময় এমন খাবার গ্রহণ করা উচিত যা সহজপাচ্য ও সহজে শক্তি জোগায়। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের পরামর্শ হলো :

১. খেজুর ও পানি : খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার করা সুন্নত। পানি ও খেজুর শরীরের অবসাদ দূর করে।

২. শরবত ও পানীয় : লেবুর শরবত, দুধ ও দুধের তৈরি শরবত, ফলের রস, রুহ আফজার মতো প্রাকৃতিক নির্যাসে তৈরি শরবত।

৩. প্রোটিন ও ফাইবারজাতীয় খাবার গ্রহণ করা। যেমন—মুরগি, ডাল, সবজি, ফল ও ড্রাই ফ্রুট।

৪. চর্বিমুক্ত খাবার গ্রহণ করা। যেমন—ছোলা, দই ইত্যাদি।

৫. ইফতারে অধিক তেলযুক্ত খাবার ও ভাজা-পোড়া পরিহার করা আবশ্যক। কেননা এগুলো পাকস্থলীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

৬. ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত বারবার পানি ও পানীয়জাতীয় খাবার গ্রহণ করা, যেন শরীরে পানিস্বল্পতা না থাকে।

অসুস্থ ব্যক্তিরা সতর্ক থাকবেন

যাঁদের ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের মতো রোগ আছে। অথবা অন্য কোনো সমস্যা থাকলে নিজ নিজ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে খাবার গ্রহণ করবেন। চিকিৎসকের দেওয়া রুটিন মেনে চলবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ