ইমাম হোসেন আকাশ, কোর্ট করেসপন্ডেন্ট /
ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক সোহেল রানার ওপর নিজস্ব গাড়িচালককে শারীরিক নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। আজ ২৩ আগস্ট ২০২৬ (রবিবার) সকালে আদালত প্রাঙ্গণের খাসকামরায় এ ঘটনা ঘটে বলে দাবি ভুক্তভোগী চালক মো. আলী হোসেন বাচ্চুর। দীর্ঘ ১ বছর ১০ মাস ধরে কর্মরত চালক আলী হোসেন বাচ্চু জানান, সকাল ৯:৩০ মিনিটের দিকে বিচারকের আদেশে পিয়ন তাকে খাসকামরায় নিয়ে যান।
সকালে দ্রুত আসার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রাতিষ্ঠানিক গাড়ি চালনার আগে পরিচ্ছন্নতার জন্যই তিনি সকাল ৭টায় কার্যালয়ে আসেন। এই জবাবে ক্ষিপ্ত হয়ে বিচারক সোহেল রানা তার মুখমন্ডলে আঘাত হানেন বলে বাচ্চু অভিযোগ করেন। পিয়ন বাধা দিলে বিচারক তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তার চেষ্টা এবং গালিগালাজ করেন। আঘাতের ফলে তার চোখ ফুলে পানিসঞ্চার হয়েছে। বিচারকের সরকারি যান ও জ্বালানি ব্যবহারে অনিয়ম এবং নিয়মিত গানম্যান দিয়ে গাড়ি চালানোর বিষয় অভিযোগ জানান।
এদিকে অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া বলে জানিয়েছেন বিচারক সোহেল রানা। বেঞ্চ সহকারী ইশতিয়াক হোসেন জনি জানান, গাড়ি অপরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে জবাবদিহির সূত্র ধরেই চালককে ডাকা হয়েছিল। সেখানে তাদের কথা-কাটাকাটি হয় এবং বিচারক তাকে কক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। ট্রাইব্যুনাল কর্তৃপক্ষের মতে, শাসানো কিংবা বের করে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটলেও কোনো শারীরিক লাঞ্ছনার ঘটনা ঘটেনি।