https://Dingdong77game.com https://www.olimpiocotillo.com/ https://www.rdcongoleopardsfoot.com/ https://takeoveranddestroy.com/ https://plaintextebooks.com/ https://moderate-ri.org/ https://addictedtoseries.com/ https://nasstimes.com/ https://ellenlanyon.com/ https://axres.com/ https://hbfasia.org/ https://pavlograd-official.org/ https://ape77slot.com/ https://ape77sport.com/ https://christopheranton.org/ https://eriksmith.org/ https://jaytotoslot.org/ https://mexicovolitivo.com/ https://www.dirtyjokepost.com/ https://bobasportgame.org/ https://139.180.186.42/dingdong77/ https://jaytoto.org/ https://superanunciosweb.com/ অপপ্রচার ও ভিত্তিহীন সংবাদের শিকার গাইবান্ধার খাদ্য কর্মকর্তা পারভেজ হোসেন - atv sangbad অপপ্রচার ও ভিত্তিহীন সংবাদের শিকার গাইবান্ধার খাদ্য কর্মকর্তা পারভেজ হোসেন - atv sangbad অপপ্রচার ও ভিত্তিহীন সংবাদের শিকার গাইবান্ধার খাদ্য কর্মকর্তা পারভেজ হোসেন - atv sangbad
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অ্যাপলের নতুন সিইও টার্নাসের বেতন, কুকের আয় কমল কত? পরকালে কোরআন যাদের পক্ষে সুপারিশ করবে উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়ানোর ‘বাস্তবতা’ মোকাবিলা করতে হবে : জাতিসংঘ হার্ট অ্যাটাকের এই নীরব সতর্কসংকেত অবহেলা করলেই বিপদ পাকস্থলীর অ্যাসিড কি রেজর ব্লেড গলিয়ে দেয়? জানুন আসল সত্য বাগেরহাটে বজ্রপাতে দুই ভাইয়ের মৃত্যু বিলুপ্তির স্রোতে টিকে থাকা গাইবান্ধার গ্রামীণ জনপদের পলো বাওত উৎসব জাগতিক জ্ঞানের পাশাপাশি কুরআন-সুন্নাহর শিক্ষাও জরুরি: শায়খে চরমোনাই হরিপুরে অধ্যাপক ডা. হাসিনা আফরোজের ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত সোনাহাট স্থলবন্দর পরিদর্শনে ভুটানের প্রতিনিধি দল

অপপ্রচার ও ভিত্তিহীন সংবাদের শিকার গাইবান্ধার খাদ্য কর্মকর্তা পারভেজ হোসেন

আনোয়ার হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক / ১০ Time View
Update : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ন

1 / 100 SEO Score

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জসহ জেলাজুড়ে সরকারি ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে অনিয়ম এবং কৃষকদের অজান্তে ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা উত্তোলনের অভিযোগ তুলে সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গোলাপবাগ এল.এস.ডি-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পারভেজ হোসেন। তিনি এসব অভিযোগকে মিথ্যা ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেন।

খাদ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্বচ্ছতার সঙ্গে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকেই ধান সংগ্রহ করা হয়েছে এবং কৃষকের অ্যাপের মাধ্যমে নির্বাচিত কৃষকদের ব্যাংক হিসাবেই ধানের মূল্য পরিশোধ করা হয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পারভেজ হোসেন বিবৃতিতে জানান, সরকারি নিয়ম-নীতির বাইরে গিয়ে ধান-চাল ক্রয় করার কোনো সুযোগ নেই। “আমি শতভাগ সরকারি বিধিবিধান মেনেই দায়িত্ব পালন করছি। কৃষকের অ্যাপসের মাধ্যমে ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। ফলে কৃষকের অজান্তে ভুয়া ভাউচার তৈরি করে অর্থ উত্তোলনের যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা বাস্তবসম্মত নয়।”

খাদ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় এ মৌসুমে গোলাপবাগ,কামদিয়া ও মহিমাগনজ তিনটি এলএসডির মাধ্যমে ৪৯৬৩ মে:টন ধান, ১০৬৩৫ মেঃটন চাল ও ৬৫৩ মেঃটন আতপ চাল ক্রয় করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পুরো গাইবান্ধা জেলায় এ পর্যন্ত ১৪ হাজার মেট্রিক টনের বেশি ধান সংগ্রহ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। খাদ্য বিভাগের দাবি, জেলার নির্ধারিত ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ইতোমধ্যে অর্জিত হয়েছে এবং নির্ধারিত সংগ্রহ কার্যক্রম শেষ হয়েছে। তবে কৃষক ও সরকারের স্বার্থে অতিরিক্ত ধান সংগ্রহের সুযোগ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অতিরিক্ত বরাদ্দের আবেদন করা হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে সে অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

খাদ্য বিভাগের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, সরকারি ধান সংগ্রহে কৃষক নির্বাচন, ধান সরবরাহ ও মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করে তাঁদের ব্যাংক হিসাবে সরাসরি অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা থাকায় মধ্যস্বত্বভোগী বা কৃষকের অজান্তে অর্থ উত্তোলনের সুযোগ থাকার কথা নয়।

ভুয়া ভাউচার সংক্রান্ত প্রকাশিত অভিযোগের বিষয়ে পারভেজ হোসেন বলেন, “সংবাদে যেসব ভাউচার বা কাগজপত্রের কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর কোনো দালিলিক ভিত্তি আমার কাছে নেই। তারপরও যদি কারও কাছে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তা উপস্থাপন করা হোক। প্রয়োজন হলে তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা হোক।”

তিনি আরও বলেন, “আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে, সেগুলো ভিত্তিহীন ও মনগড়া। আমার কোনো অনিয়ম থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু তদন্তে কোনো অনিয়ম না থাকলে কেন আমাকে এভাবে অপপ্রচারের শিকার হতে হচ্ছে, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।”

প্রকাশিত কয়েকটি প্রতিবেদনে তাঁর বক্তব্য নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন পারভেজ হোসেন। তাঁর মতে, কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া সাংবাদিকতার নৈতিক দায়িত্বের অংশ।

তিনি বলেন, “আমার বক্তব্য বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে একতরফাভাবে সংবাদ প্রকাশ করায় আমার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে। আমি এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, গাইবান্ধায় চলতি মৌসুমের ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম নির্ধারিত সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে। একটি মহল খাদ্য বিভাগের সুনাম ক্ষুণ্ন করা এবং সফল সংগ্রহ কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে বলে তাঁদের দাবি।

তবে প্রকাশিত অভিযোগ নিয়ে জনমনে কোনো প্রশ্ন থাকলে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নথিপত্র যাচাই ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য প্রকাশের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

খাদ্য বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষক ও সাধারণ মানুষকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত যেকোনো তথ্য যাচাই ছাড়া বিশ্বাস না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকৃত কোনো অনিয়মের তথ্য বা প্রমাণ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপনের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নথিপত্র, কৃষকের ব্যাংক হিসাব, কৃষকের অ্যাপের তথ্য, গুদামের স্টক রেজিস্টার ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ড যাচাই করলেই প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে। আর এমন যাচাইয়ের মাধ্যমে অভিযোগ সত্য হলে যেমন ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে, তেমনি ভিত্তিহীন অভিযোগেরও অবসান ঘটবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ