বাস করতেন ছাগলের ঘরে।সেখান থেকেই আশ্রয়ন প্রকল্পের পাকা ঘরে বসবাস করার সুযোগ পেলেন কার্পাসডাঙ্গা ভূমিহীনপাড়ায় বসবাসকৃত অসহায় দম্পতি
আমির হোসেন ও তার স্ত্রী সুমাইয়া খাতুন। জানা গেছে,অসহায় বৃদ্ধ আমির হোসেন ও তার স্ত্রী দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ভূমিহীনপাড়ার মৃত রহিম বকশোর ছেলে সোবহান আলীর বাড়ির সামনে একটি ছাগল ঘরের সাথে একটা ঘরে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে বসবাস করে মানবেতর জীবনযাপন করে আসছিলেন।বিষয়টা পাড়ার সাধারন মানুষকেও চরম পীড়া দেই।বিষয়টা জানাজানি হলে আমির হোসেনের এ মানবেতর জীবনযাপন দেখে তার বসবাসের জন্য একটি ঘরের ব্যাবস্থা করতে দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার( ভূমি)মো:শাহীন আলম উদ্যোগী হোন।তিনি কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন সহকারী ভূমিকর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানকে দিকনির্দেশনা প্রদান করে ভূমিহীনপাড়ায় কোন ঘর খালি আছে কিনা।যেখানে কেউ বসবাস করেনা।ভূমি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান অক্লান্ত পরিশ্রম করে সন্ধান পান ভূমিহীনপাড়ায় একটি ঘর তৈরী হবার পর থেকেই সেটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে এবং সেখানে কেউ বসবাস করেনা।বর্তমানে ঘরটি তালাবদ্ধ রয়েছে।যাচাই করে ওখানকার বসবাসকৃত বাসিন্দাদের সাথে কথা বলেও নিশ্চিত হোন ঘরটি তৈরী হবার পর থেকেই কেউ বসবাস করেনা এখানে।সাংবাদিকদের সামনেও তারা জানান এ ঘরে কেউ কখনো বাস করেনি।গতকাল সোমবার সকাল ১০ টার দিকে কার্পাসডাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্য, গ্রামপুলিশ,স্থানীয় বাসিন্দা ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে অসহায় আমির হোসেন ও তার স্ত্রীর হাতে ঘরটি তুলে দেন ভূমি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান।এ বিষয়ে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি জানান এ ঘরটি বাঘাডাঙ্গার ছয়ফল নামের এক ব্যাক্তির নামে ঘরটি বরাদ্দ ছিলো।ঘরটি তৈরী হবার পর থেকেই তিনি এখানে কোনদিন বসবাস করেননি।তার বাঘাডাঙ্গায় জমি জায়গা ঘর সবই রয়েছে।দীর্ঘবছর পড়ে থাকার কারনে দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার( ভূমি)মো:শাহীন আলম স্যারের সার্বিক দিক নির্দেশনায় ঘরটি অসহায় আমির হোসেনকে দেওয়া হয়েছে।স্থানীয়রা জানান প্রশাসন এত বছর পর সত্যিকারের ভালো একটা কাজ করেছে।অসহায় একটি পরিবারকে ঘর বসবাসের সুযোগ করে দিয়েছে।আমরাও খুশী। যার ঘর নেই ভূমিহীন সেই ঘরটা পেয়েছে।এমন উদ্যোগে উপজেলা জুড়ে প্রশংসায় ভাসছেন দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)মো:শাহীন আলম ও কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো:মোস্তাফিজুর রহমান