গবেষণায় রেজর ব্লেড, ডিস্ক ব্যাটারি ও কয়েনকে প্রায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় কৃত্রিম পাকস্থলীর রসে রাখা হয়।
পরীক্ষায় দেখা যায়, ২৪ ঘণ্টা পর রেজর ব্লেডের ওজন মূল ওজনের প্রায় ৬৩ শতাংশে নেমে আসে। অর্থাৎ ওই সময়ের মধ্যে ব্লেড তার এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি ভর হারায়।
অন্যদিকে, পরীক্ষায় ব্যবহৃত কয়েনের ওপর উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। ডিস্ক ব্যাটারির ক্ষেত্রেও ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত এর ভেতরের উপাদান বেরিয়ে আসার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ফলে ল্যাবের পরীক্ষার ফলকে সরাসরি মানুষের শরীরে প্রয়োগ করা ঠিক নয়। পাকস্থলীর অ্যাসিড ধাতুকে ক্ষয় করতে পারে—এটি সত্য। কিন্তু গিলে ফেলা রেজর ব্লেড দ্রুত বা নিরাপদভাবে গলে যাবে, এমন ধারণা বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়।
ধারালো ধাতব বস্তু গিলে ফেললে কী হয়?
ধারালো কোনো বস্তু গিলে ফেলা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এটি খাদ্যনালি বা পরিপাকতন্ত্রে গুরুতর ক্ষতি করতে পারে। এমনকি ভেতরে ছিদ্র, রক্তপাত বা সংক্রমণের মতো জটিলতাও হতে পারে।
এ ধরনের ঘটনা ঘটলে পাকস্থলীর অ্যাসিড বস্তুটি গলিয়ে দেবে—এমন অপেক্ষা করা উচিত নয়। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। পরিস্থিতি অনুযায়ী চিকিৎসকেরা এন্ডোস্কোপির মাধ্যমে বস্তুটি অপসারণের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
উল্লেখ্য পাকস্থলীর অ্যাসিড ধাতুকে ক্ষয় করতে সক্ষম হলেও, রেজর ব্লেড গিলে ফেলা কখনোই নিরাপদ নয়। ল্যাবরেটরির পরীক্ষাকে বাস্তবে এমন কোনো কাজের চেষ্টা হিসেবে নেওয়া উচিত নয়।