https://Dingdong77game.com https://www.olimpiocotillo.com/ https://www.rdcongoleopardsfoot.com/ https://takeoveranddestroy.com/ https://plaintextebooks.com/ https://moderate-ri.org/ https://addictedtoseries.com/ https://nasstimes.com/ https://ellenlanyon.com/ https://axres.com/ https://hbfasia.org/ https://pavlograd-official.org/ https://ape77slot.com/ https://ape77sport.com/ https://christopheranton.org/ https://eriksmith.org/ https://jaytotoslot.org/ https://mexicovolitivo.com/ https://www.dirtyjokepost.com/ https://bobasportgame.org/ https://139.180.186.42/dingdong77/ https://jaytoto.org/ https://superanunciosweb.com/ ৩০ হাজার আবেদনকারীর তথ্য নেই বিআরটিএতে - atv sangbad ৩০ হাজার আবেদনকারীর তথ্য নেই বিআরটিএতে - atv sangbad ৩০ হাজার আবেদনকারীর তথ্য নেই বিআরটিএতে - atv sangbad
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কুড়িগ্রামে নানা আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন টাঙ্গাইলে দিনব্যাপী চাকরি মেলা: ৩০টি প্রতিষ্ঠানে তাৎক্ষণিক নিয়োগের সুযোগ। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ১৯৭৮ সালের এই দিনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দলটি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ছিলেন দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাবা-মায়ের কবরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা শ্যামনগরে আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে গাবুরা জি এল এম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অ্যাডহক কমিটি, তীব্র ক্ষোভ পোরশায় ঘুমের মধ্যে সাপের কামড়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু কার্পাসডাঙ্গায় অসহায় ব্যক্তি ছাগলঘরে বসবাস থেকে পেলেন আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর:প্রশংসায় ভাসছেন এ্যাসিল্যান্ড ও ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ৪ নং ডাঙ্গীপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজুওয়ানুল হক বিশ্বাস মন্টু। ডিবি পুলিশের অভিযান : গাইবান্ধায় আওয়ামীলীগ নেতা গ্রেপ্তার রাঙ্গামাটি কোতয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়িক – পলাতক একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার – গ্রেফতার (১১)জন

৩০ হাজার আবেদনকারীর তথ্য নেই বিআরটিএতে

রিপোর্টার নাম / ১১৫ Time View
Update : রবিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৩, ৮:৫৫ পূর্বাহ্ন

নিউজ ডেস্ক, এটিভি সংবাদ

গাড়িচালকদের নতুন লাইসেন্স পাওয়া এবং পুরনো লাইসেন্স নবায়ন করার ঝক্কি যেন শেষই হচ্ছে না। আগের নির্ধারিত ফি দিয়ে করা ৩০ হাজার আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় তথ্য তাদের কাছে নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। যাঁরা চালকের লাইসেন্স নবায়ন করতে দিয়েছেন তাঁরা বছর গড়িয়ে গেলেও লাইসেন্স পাচ্ছেন না।

লাইসেন্সবিআরটিএ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে লাইসেন্স দেওয়ার কাজ করে থাকে। পুরনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জায়গায় নতুন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দায়িত্ব নিয়েছে। কিন্তু আগের আবেদনগুলোর কোনো তথ্য তারা খুঁজে পাচ্ছে না। কারণ বিআরটিএর সংশ্লিষ্ট তথ্যভাণ্ডারে সেগুলো সংরক্ষণ করা হয়নি।

এখন এসব আবেদনকারীকে নতুন করে আবেদন করার জন্য বলছে বিআরটিএর সার্কেল অফিসগুলো। কিন্তু এরই মধ্যে লাইসেন্স ফি ৬০ শতাংশ বেড়েছে। পুরনো আবেদনকারীরা নতুন হারে ফি দিতে রাজি হচ্ছেন না। বিআরটিএও আগের ফি নিতে পারছে না। ফলে তৈরি হয়েছে সংকট।

গত ২৭ ডিসেম্বর সড়ক পরিবহন বিধিমালা-২০২২ জারি করার পর ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ বিআরটিএর বিভিন্ন সেবার খরচ বাড়ানো হয়েছে। ফি বেড়েছে আগের চেয়ে প্রায় ৬০ শতাংশ। আবার সব ধরনের ড্রাইভিং লাইসেন্স ফির সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয়। আগে অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফি ছিল দুই হাজার ৫৪২ টাকা। এখন করা হয়েছে চার হাজার ১৫২ টাকা।

পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফি আগে ছিল এক হাজার ৬৭৯ টাকা। এখন করা হয়েছে দুই হাজার ৪২৭ টাকা।

জানতে চাইলে বিআরটিএর চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, আগের ঠিকাদার ৩০ হাজার গ্রাহকের তথ্য সিস্টেমে সংরক্ষণ করেনি। ফলে সমস্যা হয়েছে। এখন আবেদনকারীরা সার্কেল অফিসে এলেই সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নতুন আবেদনের মাধ্যমে হালনাগাদ করা তথ্য সিস্টেমে রাখা হচ্ছে। কিন্তু এই প্রক্রিয়ার মধ্যে যেহেতু লাইসেন্সের ফি বেড়েছে, তাই বর্ধিত টাকা নিয়ে আবেদন ফি সমন্বয় করতে হচ্ছে।

কিন্তু বর্ধিত ফি নিয়ে পুরনো আবেদনকারীদের মধ্যে বিভ্রান্তি আছে। তাঁদের দাবি, তাঁরা যখন আবেদন করেছেন তখন তো নতুন ফি নির্ধারণ করা হয়নি। তাহলে সেটা কেন তাঁদের ওপর বর্তাবে। বিআরটিএ নতুন করে তাঁদের কাছ থেকে তথ্য নিতে পারে, কিন্তু ফি নয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিআরটিএর উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তা বলেন, নৈতিকভাবে এই আবেদনকারীদের কাছ থেকে বর্ধিত ফি আদায়ের সুযোগ আসলে নেই। কারণ ফি বাড়ার আগেই তাঁরা আবেদন করেছিলেন। তিনি স্বীকার করেন, এখন পুরনো আবেদনকারীদের মধ্যে যাঁদের কাছ থেকে নতুন ফি নেওয়া যাচ্ছে তাঁদের টাকাটা নেওয়া হচ্ছে। যাঁদের কাছ থেকে নতুন ফি আদায় করা যাচ্ছে না, তাঁদের ছাড় দেওয়া হচ্ছে।

২০১৮ সালের আগস্টে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে ছিলেন মো. ফারুখ হোসেন। পাঁচ বছরেও তিনি ড্রাইভিং লাইসেন্স হাতে পাননি। ব্যাবহারিক পরীক্ষার ফলও তাঁকে জানানো হয়নি। ফারুখ হোসেন বলেন, ‘পরীক্ষা দেওয়ার পর আমার কী করতে হবে আমি সেটাই জানি না। বিআরটিএ থেকে আমায় কোনো মেসেজ দেওয়া হয়নি। আমি পরীক্ষায় পাস করলাম কি না, সেটাও জানা নেই।’

আবার লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে ভুগছেন পিয়াস মাহমুদ। গত বছরের ৩ জুলাই নবায়নের ফি জমা দেন তিনি। আর ১০ ডিসেম্বর লাইসেন্স নবায়নের জন্য আঙুলের ছাপ দেন। চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল লাইসেন্স হাতে পাওয়ার কথা ছিল। ওয়েবসাইটে অবস্থান জানতে গেলে তিনি দেখেন, সেখানে প্রক্রিয়াধীন লেখা। পিয়াস মাহমুদ জানান, এক বছর এক মাসে লাইসেন্স বুঝে পাওয়া যাচ্ছে না। ওয়েবসাইটে গেলেও ই-লাইসেন্স পুরোপুরি দেখা যাচ্ছে না। সেটা ডাউনলোডেরও সুযোগ নেই।

যাঁদের সাইসেন্স তৈরি হয়ে গেছে কিন্তু ছাপানো হয়নি, তাঁরা ই-লাইসেন্স ব্যবহার করতে পারবেন উল্লেখ করে বিআরটিএর চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, লাইসেন্স ছাপাতে কার্ডের কোনো সংকট নেই। তবুও আবেদনকারীর কার্ডের অবস্থান বোঝার জন্য বিআরটিএর ওয়েবসাইটে একটি লিংক তৈরি করা হয়েছে। সেখানে পূর্ণাঙ্গ তথ্য না থাকলে আবেদন করা সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের সময় সমন্বয়হীনতা, কার্ড সংকট ও নতুন আবেদনকারীদের প্রাধান্য দিতে গিয়ে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ লাইসেন্স আটকা পড়ে ছিল। পরে জট নিরসনে নিয়মিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বাইরে সেনাবাহিনী পরিচালিত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাতে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। কিন্তু তথ্য পুরণের জটিলতায় আটকে পড়া লাইসেন্সের গতি হচ্ছে না।

বর্তমানে বিআরটিএর লাইসেন্স তৈরির দায়িত্বে আছে ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাদ্রাজ সিকিউরিটি প্রিন্টার্স। প্রতিষ্ঠানটি নিজেরাই কার্ড ছাপানোর কাজ করে। ২০২১ সালের মে থেকে মাদ্রাজ সিকিউরিটি প্রিন্টার্স লাইসেন্স ছাপানোর কাজ শুরু করে। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ২০২০ সালের ২৯ জুলাই চুক্তি করে বিআরটিএ। চুক্তি অনুযায়ী, পাঁচ বছরে ৪০ লাখ লাইসেন্স কার্ড দেওয়ার কথা।

জানতে চাইলে যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান বলেন, পুরাতন আবেদনকারীদের কাছ থেকে বর্ধিত ফি নেওয়া অনৈতিক। তাঁরা আগের ফিতেই আবেদন করেছেন। তাঁদের তথ্য না থাকা বা হারিয়ে ফেলা, সময়মতো লাইসেন্স দিতে না পারা তো বিআরটিএর ব্যর্থতা। এই দায় আবেদনকারী কেন নেবেন।

এটিভি/এস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ