ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে প্রবীর চৌধুরী রিপন, এটিভি সংবাদ //
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নবনিযুক্ত প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দায়িত্বভার গ্রহণ উপলক্ষ্যে সকালে জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য, বিএনপির নির্বাহী কমিটির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।
জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল কাদির মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের সংসদ সদস্য এম এ হান্নান, জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান, জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ মুফতি মোবারক উল্লাহ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সহ-সভাপতি জুনায়েদ আল হাবীব, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল হক খোকন, সাবেক পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি প্রমুখ।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আবু শামীম মো. আরিফ, জেলা যুবদলের সভাপতি শামীম মোল্লা, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তফা, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শামীমা বাছির স্মৃতি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. সালাহ উদ্দিন ও জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সমীর চক্রবর্তী।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নবনিযুক্ত প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, জেলার ৬টি আসনের সংসদ সদস্যসহ জেলা পরিষদের সাথে সম্পৃক্ত যারা আছেন এবং সুধী সমাজ, আমি সবার সাথে সমন্বয় সভা করে জেলা পরিষদের উন্নয়নে কাজ করতে চাই।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যমল বলেন, আজকে দীর্ঘ সংগ্রামের পর আমরা এই অবস্থায় এসেছি। অতীত ভুলে গেলে হবে না। মনে রাখতে হবে জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। ক্ষমতায় আছি বলে যা ইচ্ছে করা যাবেনা। আগামীতে যত নির্বাচন হবে জনগণের ভোটে। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের কাজ করতে হবে। তা না হলে ২০৩১-এর নির্বাচনে খেসারত দিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাদাসিধে জীবনযাপন করছেন। সংসদ সদস্যরা ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি পরিহার করেছেন। বাড়ি নিচ্ছেন না। আঙুল থেকে ভোটের দাগ মুছে যাওয়ার আগেই সরকার ধাপে ধাপে ইশতাহার বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া শুরু হয়েছে। ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হয়েছে। পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। খালকাটা কর্মসূচি শুরু হয়েছে।