মো. সাইদুর রহমান। এটিভি সংবাদ //
আগামী দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে ঢাকা থেকে চারটি বাস টার্মিনাল সরানো হবে বলে জানালেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলছিলেন, ‘রাজধানী ঢাকার রাস্তায় কোন রুটে কোন কোম্পানির বাস চলাচল করবে, তা নিয়ে কাজ করছে সরকার। এজন্য প্রতিটি রুটের বাস মালিকদের নিয়ে গঠন করা হবে কোম্পানি।’
রেলওয়ের জন্যও আগামী মাসে কেনা হবে ১৫০টি আধুনিক বগি। যোগ করেন তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বিএসআরএফ সংলাপে মন্ত্রী আরও বলছিলেন ‘ঢাকার রাস্তায় একই রঙ, নির্দিষ্ট মান ও ফিটনেস বজায় রেখে সব ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করে তবেই চালাতে হবে বাস। সেক্ষেত্রে সরকার ইলেকট্রিক যানকে উৎসাহিত করছে। এ কাজ অনেকদূর এগিয়েছে।’
সংলাপের আয়োজন করে বাংলাদেশ সচিবালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ)। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি মাসউদুল হক এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।
বাস টার্মিনাল সরানোর বিষয়ে মন্ত্রী বলেছেন, বাস টার্মিনালগুলো সরিয়ে ঢাকার আশপাশে বিভিন্ন স্থানে নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে ঢাকার গাবতলী বাস টার্মিনাল হেমায়েতপুরে, মহাখালী বাস টার্মিনাল স্থানান্তর করা হবে উত্তরার আবদুল্লাহপুরের কাছাকাছি জায়গায়। সেখানে কাজ চলছে ৫০ বিঘা জমি অধিগ্রহণের। অন্যদিকে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাবে কাঁচপুরে। ফুলবাড়িয়া টার্মিনাল চলে যাবে কেরানীগঞ্জে।
ঢাকার বাস কাউন্টারগুলো একটি কাঠামোর আওতায় আনার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন শেখ রবিউল আলম। তিনি বললেন, ‘কলাবাগান, কল্যাণপুরসহ যেসব জায়গায় বাস কাউন্টারকে কেন্দ্র করে টেম্পোরারি টার্মিনালের মতো হয়েছে, তারা পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেবে কাউন্টারগুলো। কাউন্টারের সামনে বাস এনে যাত্রী ওঠানামা করাতে পারবে না। সরকার এ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।’
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পদ্মা রেললিংক সেতুর নিচে থেকে মাটি সরানো নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেছেন, এটি নির্মাণকাজেরই অংশ। কোনো গোষ্ঠী মাটি বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে, এমন নয় বিষয়টি। ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তি ছিল মাটি সরাবে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হয়নি সেটি। ওই মাটি সরানো হচ্ছে এখন। এর ফলে মূল স্থাপনা ঝুঁকিতে পড়বে না।
রেলব্যবস্থাপনা বিষয়ে মন্ত্রী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী রেলের উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে সব প্রকল্পে দিয়েছেন সম্মতি।