জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে শুধুমাত্র ভৌগোলিক স্বাধীনতার জন্য আমরা লড়াই করিনি জানিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ন্যায়বিচার ভিত্তিক একটি শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠাই ছিল আমাদের স্বাধীনতার লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত বাঙালি জাতি এগিয়ে চলছিল তখনই ঘাতকের নির্মম বুলেটে প্রাণ দিতে হয় বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের সদস্যদের। নির্মম এ হত্যাকাণ্ড শুধুমাত্র বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকেই স্তব্ধ করে দেয়নি, বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার শৃঙ্খলা এবং ধারাবাহিকতাকেও সম্পূর্ণ ধূলিসাৎ করে দিয়েছিল। যার ফলশ্রুতিতে পরবর্তীতে সামরিক শাসকেরা তাদের সুবিধামতো ক্ষমতা দখল এবং রাষ্ট্রের সকল সুযোগ সুবিধাকে কুক্ষিগত করে রাখার সুযোগ পেয়েছিল।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার হত্যাকাণ্যের মাধ্যমে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন থেকে বিচ্যুত হয়ে বাংলাদেশ আবারও অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়েছিল।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহম্মদ ইবরাহিম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. নুরুজ্জামান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. সারোয়ার হোসেন। আলোচনা অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান এবং এতে সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সভাপতি নজরুল ইসলাম মিয়া।
নির্বাচন নিয়ে দেশে-বিদেশি ষড়যন্ত্র হচ্ছে জানিয়ে মো. তাজুল ইসলাম বলেন, পৃথিবীর সব দেশেই ক্ষমতাসীন দলের অধীনেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং বাংলাদেশেও তার ব্যতিক্রম হবে না।
দেশের অধিকাংশ মানুষের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি অটল বিশ্বাস রয়েছে জানিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বিগত বিএনপি জামাতের শাসনামলে দেশ কতটুকু উন্নত হয়েছে আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিগত ১৫ বছরে বাংলাদেশের অগ্রগতির তুলনামূলক চিত্রই বলে দেয় বাংলাদেশের রূপান্তরের ম্যাজিক। মন্ত্রী বলেন, খাদ্য ঘাটতি ও বিদ্যুৎ ঘাটতির বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশ।