মাগুরা প্রতিনিধি, এটিভি সংবাদ //
মাগুরা সদর উপজেলার বেরইল পলিতা ইউনিয়নে ২০ শয্যা হাসপাতালের অনুমোদন হয় প্রায় এক যুগ আগে। দুই চিকিৎসক ও তিন নার্স নিয়োগ পেলেও এখনও হয়নি জমি অধিগ্রহণ। মাগুরা জেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কি.মি দূরে প্রত্যন্ত এলাকায় হাসপাতাল না থাকায় চরম ভোগান্তি ও চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়রা বলছেন, আশেপাশে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা না থাকায় তাদেরকে ছুটতে হয় ৩০ কিমি দুরে মাগুরা সদর হাসপাতালে। এছাড়াও যেতে হয় পাশ্ববর্তী জেলা নড়াইল, যশোর কিংবা ফরিদপুরে।
২০১৩ সালে অনুমোদন পেলেও হাসপাতাল নিমার্ণের জন্য এখন পর্যন্ত জমি অধিগ্রহণ হয়নি। তবুও দুইজন চিকিৎসক ও তিনজন নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়।
নিয়োগপ্রাপ্তরা সংযুক্ত হিসেবে অন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কাজ করছেন বলে জানান মাগুরা সিভিল সার্জন মো. শামীম কবির। তিনি জানান, বেরইল পলিতা এলাকায় হাসপাতালের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হলেও এখনো সুফল মেলেনি।
এদিকে সিভিল সার্জন অফিসের তথ্যমতে, বেরইল পলিতা ইউনিয়নবাসী স্বাক্ষরিত কাগজপত্রে দেখা গেছে, এলাকার মানুষ জমি দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাই তদারকির মাধ্যমে যেকোনো জায়গায় হাসপাতাল নিমার্ণ এখন সময়ের দাবি।
অনুমোদনের দীর্ঘ এক যুগেও হাসপাতাল না হওয়ায় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ইউনিয়নের প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। তাই দ্রুতই হাসপাতাল নিমার্ণের দাবি এলাকাবাসীর।
বিষয়টি বড়ই দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন, এটিভি সংবাদ ডটকম’র সম্পাদক এস এম জামান। তিনি বলেন, ২ জন চিকিৎসক ও ৩ জন নার্স নিয়োগ হলেও গত এক যুগে হয়নি ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের জন্য জমি অধিগ্রহণ! গোটা বিষয়টা জাতিকে ভাবিয়ে তুলছে। স্বৈরাচার শেখ হাসিনার আমলে এ নেক্কারজনক ঘটনার জন্ম হয়, যা আজও কাগজপত্রে আছে কিন্তু বাস্তবে শূন্য!
উল্লেখিত বিষয়টি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নজরে আনবেন, এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় সচেতন মহলের।
এটিভি/মাগুরা/এম