https://Dingdong77game.com https://www.olimpiocotillo.com/ https://www.rdcongoleopardsfoot.com/ https://takeoveranddestroy.com/ https://plaintextebooks.com/ https://moderate-ri.org/ https://addictedtoseries.com/ https://nasstimes.com/ https://ellenlanyon.com/ https://axres.com/ https://hbfasia.org/ https://pavlograd-official.org/ https://ape77slot.com/ https://ape77sport.com/ https://christopheranton.org/ https://eriksmith.org/ https://jaytotoslot.org/ https://mexicovolitivo.com/ https://www.dirtyjokepost.com/ https://bobasportgame.org/ https://139.180.186.42/dingdong77/ https://jaytoto.org/ https://superanunciosweb.com/ দেশীয় জ্বালানি অনুসন্ধানে সাহসী সিদ্ধান্তের অভাব বড় বাধা - atv sangbad দেশীয় জ্বালানি অনুসন্ধানে সাহসী সিদ্ধান্তের অভাব বড় বাধা - atv sangbad দেশীয় জ্বালানি অনুসন্ধানে সাহসী সিদ্ধান্তের অভাব বড় বাধা - atv sangbad
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রেমের টানে পিরোজপুর এসে আশাহত হয়ে ফিরলেন চীনা যুবক এশিয়া পোস্ট বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি মো: জামাল উদ্দিন ও তার পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা। গাইবান্ধায় ২৭০০ পিস ইয়াবাসহ আটক মাদক ব্যবসায়ী মনির। সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় বিট পুলিশিং ও কমিউনিটি পু্লিশিং সভা তানোরে জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানে ১৮টি বকনা বাছুর বিতরণ কবি নজরুল ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে স্থান পরিদর্শন করলেন মাননীয় ডিসি সাহেব মিসস লুৎফুন নাহার। পশ্চিমবঙ্গ ইস্যু ও বাণিজ্য চুক্তির প্রতিবাদে রাজধানীতে জমিয়তের বিক্ষোভ মিছিল কুলাউড়ায় স্কুল ফিডিংয়ে নিম্ন মানের খাদ্য বিতরণের অভিযোগ কুলাউড়ায় স্কুল ফিডিংয়ে নিম্ন মানের খাদ্য বিতরণের অভিযোগ

দেশীয় জ্বালানি অনুসন্ধানে সাহসী সিদ্ধান্তের অভাব বড় বাধা

অনলাইন ডেস্ক, এটিভি সংবাদ / ২৯ Time View
Update : সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:৪০ অপরাহ্ন
দেশীয় জ্বালানি অনুসন্ধানে সাহসী সিদ্ধান্তের অভাব বড় বাধা
দেশীয় জ্বালানি অনুসন্ধানে সাহসী সিদ্ধান্তের অভাব বড় বাধা

অনলাইন ডেস্ক, এটিভি সংবাদ //

বাংলাদেশে গ্যাস ও তেল অনুসন্ধানে দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ ও ঝুঁকি গ্রহণের অভাব রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান মো. জালাল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘সরকার এক্সপ্লোরেশনে ঝুঁকি নিতে ভয় পেয়েছে, ফলে গত ৩০ থেকে ৪০ বছরে যে পরিমাণ বিনিয়োগ ও অনুসন্ধান হওয়া প্রয়োজন ছিল, তা হয়নি।’

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর আইইবি ভবনের বিইআরসির সভাকক্ষে ‘ডিএসটি’ নিয়ে এক কর্মশালায় বিইআরসির চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশের (এফইআরবি) সদস্যদের জন্য কর্মশালাটি আয়োজন করে বিইআরসি।

এ সময় সংস্থাটির সদস্য (গ্যাস) মো. মিজানুর রহমান, সদস্য (অর্থ, প্রশাসন ও আইন) মো. আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য (পেট্রোলিয়াম) ড. সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া, সদস্য (বিদ্যুৎ) ব্রিগে. জেনারেল মোহাম্মদ শাহিদ সারওয়ার (অব.), এফইআরবির চেয়ারম্যান মো. শামীম জাহাঙ্গীর ও নির্বাহী পরিচালক সেরাজুল ইসলাম সিরাজসহ সংগঠনের সদস্যরা এবং বিইআরসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জালাল আহমেদ বলেন, ‘বিশেষ করে এক্সটেনসিভ সিসমিক সার্ভে না করাই বড় ঘাটতি। যদি আমরা ব্যাপকভাবে সিসমিক সার্ভে করতে পারতাম, তাহলে তার ভিত্তিতে পরিকল্পিত এক্সপ্লোরেশন করা যেত। কিন্তু বাস্তবতা হলো—আমরা সেই জায়গাটায় দুর্বল থেকেছি।

এ কারণে এখন অনেক বেশি পরিমাণে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রম জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে।কূপ খননের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে বিইআরসির চেয়ারম্যান বলেন, ‘‌গ্যাসফিল্ড এলাকায় গেলে অনেক সময় ফ্লেয়ারিং দেখা যায়, একটি পাইপ দিয়ে আগুন জ্বলছে, উচ্চ শব্দ হচ্ছে। এটি আসলে অনুসন্ধান ও পরীক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। কূপ খননের পর গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হলে নির্দিষ্ট সময় ২৪ বা ৪৮ ঘণ্টা চাপ ও প্রবাহের মাত্রা পরীক্ষা করা হয়, যাতে বোঝা যায় এটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারযোগ্য কি না।

এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন বিইআরসির সদস্য (গ্যাস) মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, ‘একটি কূপে গ্যাস পাওয়া যাবে কি না এবং তা বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক হবে কি না, এটি নির্ধারণ করতে কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হয় এবং পুরো প্রক্রিয়াটি সময়সাপেক্ষ। কূপ খননের আগে প্রথমেই সিসমিক সার্ভে করা হয়। এই সার্ভের মাধ্যমে সম্ভাবনাময় ভূগাঠনিক কাঠামো শনাক্ত করে কূপের সঠিক লোকেশন নির্ধারণ করা হয়। এরপর প্রস্তুত করা হয় একটি পূর্ণাঙ্গ ড্রিলিং প্রোগ্রাম, যেখানে কূপের গভীরতা, সম্ভাব্য গ্যাস বা তেলের উপস্থিতি এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি দিকগুলো উল্লেখ থাকে।

তিনি বলেন, ‘ড্রিলিং শুরু হলে গ্যাস বা তেলের উপস্থিতি শনাক্ত করতে মূলত দুই ধরনের লগিং ব্যবহৃত হয়—মাড লগিং ও ওয়্যারলাইন লগিং। মাড লগিং ইউনিট ড্রিলিং চলাকালীন ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্নভাবে তথ্য সংগ্রহ করে। এতে ড্রিলিং রেট, চাপ, কাদার ঘনত্ব, গ্যাস কাটিংসহ বিভিন্ন প্যারামিটার বিশ্লেষণ করা হয়। ড্রিলিং সাইটে থাকা জিওলজিস্ট ও ডেটা ইঞ্জিনিয়াররা এসব তথ্যের মাধ্যমে গ্যাস শো বা ফরমেশন পরিবর্তন শনাক্ত করেন।’

মিজানুর রহমান আরও বলেন, ‘গ্যাস পাওয়ার পর তার পরিমাণ ও উৎপাদনযোগ্যতা যাচাই করতে ডিএসটি (ড্রিল স্টেম টেস্ট) বা ধাপে ধাপে টেস্টিং করা হয়। একই পদ্ধতিতে তেল ও গ্যাস—উভয়ের ক্ষেত্রেই পরীক্ষা চালানো হয়। অতীতে বিভিন্ন কূপে তেল ও গ্যাসের উপস্থিতি মিললেও সব ক্ষেত্রেই দীর্ঘমেয়াদি উৎপাদন সম্ভব হয়নি। তবে এসব তথ্য ভবিষ্যৎ অনুসন্ধানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেয়।’

বিশেষ করে সিলেট বেল্ট এলাকায় গ্যাসের সঙ্গে কনডেনসেট পাওয়ার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই কনডেনসেট থেকে এলপিজির মতো মূল্যবান পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব। বর্তমানে আমরা কনডেনসেট থেকে এলপিজি উৎপাদন করছি। তাই সঠিক পরিকল্পনা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ধাপে ধাপে পরীক্ষার মাধ্যমে স্বল্প সময়ের মধ্যে গ্যাস ও তেলের সম্ভাবনা যাচাই করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।

এটিভি/এসএম/অনুসন্ধান


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ