অনলাইন ডেস্ক, এটিভি সংবাদ//
‘আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে আবু সায়ফ কর্মকারের নিকট গেলাম। তিনি ছিলেন (নবী-তনয়) ইব্রাহিম (রা.)-এর দুধ সম্পর্কীয় পিতা। আল্লাহর রাসুল (সা.) ইব্রাহিম (রা.)-কে তুলে নিয়ে চুমু খেলেন এবং নাকে-মুখে লাগালেন। অতঃপর (আরেকবার) আমরা তার (আবু সায়ফের) বাড়িতে গেলাম।’
চোখের অশ্রু, হৃদয়ের ব্যথা—এগুলো দুর্বলতার পরিচয় নয়, বরং মানবিকতার স্বাভাবিক বহিঃপ্রকাশ। তবে ইসলাম কঠোরভাবে নিষেধ করেছে এমন সব আচরণ, যা আল্লাহর ফয়সালার প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে। যেমন—বুক চাপড়ানো, উচ্চৈঃস্বরে বিলাপ করা, ভাগ্যকে দোষারোপ করা কিংবা মুখে এমন কথা বলা, যা আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করে।”
রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের শিখিয়ে গিয়েছেন : ‘শোক থাকবে, কিন্তু তা হবে সংযত; কষ্ট থাকবে, কিন্তু অভিযোগ থাকবে না; অশ্রু ঝরবে, কিন্তু জিহ্বা আল্লাহর রিজার সীমা অতিক্রম করবে না।”
এই হাদিসে আমাদের প্রিয়জন হারানোর কঠিন সময়ে আমাদের দায়িত্ব হলো ধৈর্য ধারণ করা, আল্লাহর ফয়সালার প্রতি সন্তুষ্ট থাকা এবং নিজেদের শোককে ঈমানের সৌন্দর্যে রূপ দেওয়ার সবক শিক্ষা দেয়।”
আসুন, আমরা শোককে অস্বীকার না করে তাকে সবর, তাওহিদ ও আখিরাতমুখী বিশ্বাসে পরিণত করি। আল্লাহ যেন আমাদের বিপদের মুহূর্তে এমন ভাষাই উচ্চারণ করার তাওফিক দেন, যা তিনি পছন্দ করেন এবং এমন শোকই ধারণ করার শক্তি দেন, যা আমাদের ঈমানকে আরো দৃঢ় করে।”