সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশের অভিযানে চুরি যাওয়া ১৬টি গরুর মধ্যে ১১টি গরু উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুইজন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং চোর চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ ভোর আনুমানিক ৪টা থেকে ৫টা ৩০ মিনিটের মধ্যে সোনাগাজী থানাধীন ৫নং চর দরবেশ ইউনিয়নের পূর্ব চর সাহাভিকারী এলাকায় মোঃ শাহাআলমের গরুর খামার থেকে অজ্ঞাতনামা চোরেরা ১৬টি গরু চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শাহাআলম থানায় এজাহার দায়ের করলে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা নং-০৫,
তারিখ-০২/০১/২০২৬, ধারা-৪৫৭/৩৮০ পেনাল কোডে মামলা রুজু করা হয়।
মামলার তদন্তকালে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ শফিকুর রহমান-এর তত্ত্বাবধানে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) নুরুল ইসলাম সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ তথ্য প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা সোর্সের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নোয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা ও চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ৬ জানুয়ারি ২০২৬ কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানাধীন আকুসাইর এলাকা থেকে ১টি চোরাই গরুসহ একজন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। পরে সোর্সের তথ্য অনুযায়ী গত ১২ জানুয়ারি ২০২৬ সোনাগাজী মডেল থানাধীন মতিগঞ্জ বাজার থেকে আরও ১টি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে গত ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানাধীন চৌয়ারা গরু বাজার থেকে ১টি চোরাই গরুসহ আসামী সোহাগ (৩০)—পিতা: ইদ্রিস, সাং: সানন্দকড়া (লতিফ সাহেবের বাড়ি), থানা: কচুয়া, জেলা: চাঁদপুর—কে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানাধীন সানন্দকড়া এলাকার লতিফ সাহেবের বাড়ি থেকে আরও ৮টি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়।
এছাড়াও, উক্ত মামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন ৪ জন আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন প্রেরণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ওই আসামীরা ইতোমধ্যে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার মামলা নং-৫(১)/২৬, তারিখ-০৪/০১/২০২৬ মূলে গ্রেফতার হয়ে আদালতে সোপর্দ রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, অবশিষ্ট ৫টি চোরাই গরু উদ্ধার ও চোর চক্রের সক্রিয় সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।