বন্যহাতি সংরক্ষণ ও মানুষ–হাতির সহাবস্থান বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন বন বিভাগের চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক ড. মোল্যা রেজাউল করিম। তিনি বলেন, “হাতিকে আঘাত না করলে হাতি কখনো মানুষকে আঘাত করে না। মানুষই মূলত আগে আঘাত করে, পরে তার প্রতিক্রিয়া হিসেবে দুর্ঘটনা ঘটে।”
তিনি আরও বলেন, “আপনারা কখনো শুনেছেন কি—বন বিভাগের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে বন্যপ্রাণী আঘাত করেছে? কারণ বন বিভাগের কর্মীরা বন্যপ্রাণীর আচরণ বোঝে এবং তাদের ক্ষতি করে না।”
ড. মোল্যা রেজাউল করিম বন্যহাতি সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণের সচেতনতা, প্রাকৃতিক আবাসস্থল রক্ষা এবং সংঘাত এড়াতে সহনশীল আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বন উজাড় ও অবৈধ বসতি বৃদ্ধি পাওয়ায় হাতির চলাচলের স্বাভাবিক পথ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যা মানুষ–হাতি দ্বন্দ্বের অন্যতম কারণ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বন্যহাতি আমাদের বন ও পরিবেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।