সেঞ্চুরির জবাব সেঞ্চুরিতে দিলেন তাওহিদ হৃদয়। শুধু তিন অংকের জবাবই দিলেন না, রংপুর রাইডার্সকে ৮ উইকেটের বড় জয়ও এনে দিয়েছে তিনি।
তবে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি হৃদয়। দলের জয়ের জন্য যখন ৯ রানের প্রয়োজন ঠিক তখনই আউট হন তিনি।
ড্রেসিংরুমে ফেরার আগে ১০৯ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন তিনি। ১৭৩.৪২ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটি সাজান ২ ছক্কা ও ১৫ চারে। তাতে ২ বল হাতে রেখে ১৭৪ রানের বড় লক্ষ্য পেরিয়ে যায় রংপুর। শেষ ওভারে ৬ রানের সমীকরণ মেলান রংপুরের অধিনায়ক লিটন দাস।
খেলেন ৩৯ রানের অপরাজিত ইনিংস।
ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিতে আক্ষেপ ঘুচিয়েছেন হৃদয়। গত ১১ জানুয়ারি রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও ম্যাজিক্যাল ফিগারের দেখা পাননি। ৯৭ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।
এবার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সেঞ্চুরিটা তুলে নিলেন বাংলাদেশি ব্যাটার।
এতে হৃদয়ের সেঞ্চুরির কাছে ম্লান হয় হাসান ইসাখিলের তিন অংক। টুর্নামেন্ট থেকে আগেই ছিটকে যাওয়ায় নিয়ম রক্ষার ম্যাচে আফগানিস্তানের ব্যাটারের সেঞ্চুরিতে ১৭৩ রানের সংগ্রহ পেয়েছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। বিপিএলের অভিষেক ম্যাচে সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে গিয়েছিলেন তিনি। তবে আজ দুইবার জীবন পেয়ে সুযোগটা হাতছাড়া করলেন না তিনি।
টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ইসাখিল তুলেন নেন প্রথম সেঞ্চুরি। ৭২ বলে খেলেছেন ১০৭ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস। ৪ বাউন্ডারির বিপরীতে মারেন ১১টা ছক্কা। প্রথম ম্যাচে ৯২ রানে আউট হয়েছিলেন আফগানদের কিংবদন্তি ব্যাটার মোহাম্মদ নবীর ছেলে। তার সেঞ্চুরি ও অধিনায়ক হায়দার আলীর ৪২ রানের ইনিংসে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিয়ে শেষটা হার দিয়ে করল নোয়াখালী।
নোয়াখালীকে ৮ উইকেটে হারালেও শীর্ষ দুইয়ে ওঠা হয়নি রংপুরের। ১২ পয়েন্ট নিয়ে এলিমিনেটরে খেলতে হবে তাদের। তাদের প্রতিপক্ষ ১০ পয়েন্টে চারে থাকা সিলেট স্ট্রাইকার্স। অন্যদিকে শীর্ষ দুইয়ে আছে রাজশাহী (১৬) ও চট্টগ্রাম রয়্যালস (১২)।