https://Dingdong77game.com https://www.olimpiocotillo.com/ https://www.rdcongoleopardsfoot.com/ https://takeoveranddestroy.com/ https://plaintextebooks.com/ https://moderate-ri.org/ https://addictedtoseries.com/ https://nasstimes.com/ https://ellenlanyon.com/ https://axres.com/ https://hbfasia.org/ https://pavlograd-official.org/ https://ape77slot.com/ https://ape77sport.com/ https://christopheranton.org/ https://eriksmith.org/ https://jaytotoslot.org/ https://mexicovolitivo.com/ https://www.dirtyjokepost.com/ https://bobasportgame.org/ https://139.180.186.42/dingdong77/ https://jaytoto.org/ https://superanunciosweb.com/ শিশুদের মসজিদে আনতে মমতা ও শৃঙ্খলার ভারসাম্য - atv sangbad শিশুদের মসজিদে আনতে মমতা ও শৃঙ্খলার ভারসাম্য - atv sangbad শিশুদের মসজিদে আনতে মমতা ও শৃঙ্খলার ভারসাম্য - atv sangbad
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অ্যাপলের নতুন সিইও টার্নাসের বেতন, কুকের আয় কমল কত? পরকালে কোরআন যাদের পক্ষে সুপারিশ করবে উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়ানোর ‘বাস্তবতা’ মোকাবিলা করতে হবে : জাতিসংঘ হার্ট অ্যাটাকের এই নীরব সতর্কসংকেত অবহেলা করলেই বিপদ পাকস্থলীর অ্যাসিড কি রেজর ব্লেড গলিয়ে দেয়? জানুন আসল সত্য বাগেরহাটে বজ্রপাতে দুই ভাইয়ের মৃত্যু বিলুপ্তির স্রোতে টিকে থাকা গাইবান্ধার গ্রামীণ জনপদের পলো বাওত উৎসব জাগতিক জ্ঞানের পাশাপাশি কুরআন-সুন্নাহর শিক্ষাও জরুরি: শায়খে চরমোনাই হরিপুরে অধ্যাপক ডা. হাসিনা আফরোজের ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত সোনাহাট স্থলবন্দর পরিদর্শনে ভুটানের প্রতিনিধি দল

শিশুদের মসজিদে আনতে মমতা ও শৃঙ্খলার ভারসাম্য

অনলাইন ডেস্ক, এটিভি সংবাদ / ৬৭ Time View
Update : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ন
শিশুদের মসজিদে আনতে মমতা ও শৃঙ্খলার ভারসাম্য
শিশুদের মসজিদে আনতে মমতা ও শৃঙ্খলার ভারসাম্য

আমাদের সমাজে উৎসবমুখর ইবাদতগুলোতে শিশু-কিশোরদের মসজিদে নিয়ে আসার রেওয়াজ  রয়েছে। বিশেষত তারাবি, জুমা, ঈদ বা বিশেষ কোনো ফজিলতপূর্ণ দিনে। কিন্তু শিশুরা চঞ্চল হয়, তারা স্থির হয়ে দীর্ঘ সময় বসে থাকতে পারে না। শিশুসুলভ আচরণ, হাসি-তামাশা বা দুষ্টুমি করে বসে, যা অনেক সময় মসজিদের আদবের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হয় না।”

তাই শিশুদের মসজিদে আনতে মুসল্লিদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।”সমস্যা হচ্ছে, এ ব্যাপারে বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ির প্রবণতা বিদ্যমান। প্রথমত, কিছু মানুষ মনে করেন, মসজিদে সামান্য শব্দও অমার্জনীয় অপরাধ। শিশুরা একটু নড়াচড়া করলেই কঠোর ধমক, তিরস্কার, এমনকি অপমান করে বসেন এবং শিশুদের মসজিদে আনতে নিরুৎসাহ করেন।”

দ্বিতীয়ত, অন্য কিছু মানুষ আবার শিশুদের যেকোনো আচরণকে রহমত, বরকত ইত্যাদি বলে এমনভাবে মহিমান্বিত করেন, যেন ইবাদতে বিঘ্ন সৃষ্টি করা কোনো দূষণীয় বিষয় নয়। অথচ বলাই বাহুল্য যে, দুটি মনোভাবই প্রান্তিক এবং পরিত্যাজ্য। ইসলামের শিক্ষা সব সময়ই ভারসাম্যের শিক্ষা। মসজিদ যেহেতু ইবাদতের ঘর, তাই যেমন এর আদব ও পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে, একই সঙ্গে মসজিদ হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ঈমানি শিক্ষার প্রথম পাঠশালা।”

“নববী দৃষ্টান্ত : কোমলতা ও শৃঙ্খলার সমন্বয়”

আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) শিশুদের প্রতি ছিলেন অসাধারণ স্নেহশীল। তিনি নাতি হাসান ও হুসাইন (রা.)-কে কাঁধে তুলে নিয়েছেন, সিজদায় গেলে তাঁরা পিঠে চড়ে বসলে সিজদা দীর্ঘ করেছেন।” হাদিসে এসেছে, হাসান ও হুসাইন (রা.) নামাজ চলাকালে পিঠে চড়ে বসতেন। মানুষ তাঁদের সরাতে চাইলে নবী (সা.) বলতেন, ‘তাদের ছেড়ে দাও।”

আল্লাহর শপথ! আমাকে যে ভালোবাসে, সে যেন তাদেরকেও ভালোবাসে।”
(বায়হাকি, হাদিস : ৩২৩৭) 

একবার সালাতে থাকা অবস্থায় শিশুর কান্না শুনে নামাজ সংক্ষিপ্তও করেছেন, যাতে মায়ের কষ্ট না হয়।”

কিন্তু একই সঙ্গে তিনি মসজিদের আদবও শিক্ষা দিয়েছেন। মসজিদকে পরিচ্ছন্ন রাখা, অপ্রয়োজনীয় ও উচ্চৈঃস্বরে কথা না বলা, অন্যের ইবাদতে বিঘ্ন না ঘটানো—এসব ছিল তাঁর সুস্পষ্ট নির্দেশনা। নবীজি (সা.) বলেন, ‘তোমরা তোমাদের মসজিদকে অবোধ শিশু, পাগল, দুষ্কৃতকারী, বেচাকেনা, ঝগড়া-বিবাদ, হৈচৈ, হদ কায়েম এবং অস্ত্রশস্ত্রের উত্তোলন থেকে হেফাজতে রাখবে।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৭৫০) যাতে মসজিদের পবিত্রতা ও আদব বজায় থাকে।

অর্থাৎ শিশুর প্রতি মমতা যেমন ছিল, তেমনি ছিল ইবাদতের পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ববোধ।

“বয়সভিত্তিক দিকনির্দেশনা (ফিকহি বিশ্লেষণ)”

হানাফি ফিকহের আলেমরা নবীজি (সা.)-এর এই সমন্বয়কে বিবেচনা করে বয়স ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে শিশুদের তিন ভাগে বিভক্ত করেছেন—

১. অতি অল্পবয়সী শিশু : যারা মসজিদের মর্যাদা বোঝে না, টয়লেট ট্রেইনড নয়, নিয়ন্ত্রণহীনভাবে দৌড়ঝাঁপ করে। যদি প্রবল আশঙ্কা থাকে যে তারা মসজিদ নাপাক করবে বা গুরুতর বিঘ্ন ঘটাবে, তাহলে তাদের আনা বৈধ নয়। শিশুদের মসজিদে আনা নিষিদ্ধের হাদিসটি ফকিহরা এই প্রেক্ষাপটে প্রয়োগ করেছেন।

২. মধ্যম বয়স (৭-১১ বছর) : এরা আংশিক বোঝাপড়া রাখে। এদের আনা সাধারণত জায়েজ এবং প্রশিক্ষণের অংশ। তবে যদি মারাত্মক বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা থাকে, তাহলে না আনাই উত্তম। অভিভাবকের তদারকি এখানে মুখ্য।

রাসুল (সা.) বলেন, ‘সাত বছর বয়স হলে শিশুকে নামাজের আদেশ দাও এবং দশ বছর হলে প্রয়োজনে মৃদু প্রহার করতে পারো।’
(সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৪০৭)”

আরেক বর্ণনায় এসেছে, ‘শিশুরা যখন ডান-বাম বুঝতে শুরু করে, তখন তাদেরকে নামাজের নির্দেশ প্রদান করবে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৪৯৭)

৩. বালেগের নিকটবর্তী (১২-১৪ বছর) : এদের নিয়মিত মসজিদে আনা জরুরি। কারণ বালেগ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সালাত ফরজ হয়। আগে থেকে অভ্যাস না হলে পরে তা কঠিন হয়ে পড়ে।”

তাই অভিভাকদের দায়িত্ব হলো, মোটামুটি বুঝমান শিশুদের মসজিদের আদব সম্পর্কে সতর্ক করা এবং মসজিদে আনা। বর্তমান প্রজন্ম দুনিয়াবি ব্যস্ততা এবং তথ্য-প্রযুক্তির মন্দ ব্যবহারের ফলে ক্রমান্বয়ে দ্বিন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে এবং নীতি-নৈতিকতা ভুলে অপরাধপ্রবণ হয়ে উঠছে। এমন পরিস্থিতিতে সুন্দর ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে শিশুদের মসজিদে গমন খুবই জরুরি। তাই শিশুদের মসজিদে আনার আগে অবশ্যই মসজিদের আদব সম্পর্কে বোঝানোর চেষ্টা করতে হবে। এ ব্যাপারে অন্য মুসল্লিদেরও দায়িত্বশীল ও সংযত আচরণ করতে হবে। কোনো শিশুর অতিরিক্ত দুষ্টামির কারণে নামাজে ব্যাঘাত যাতে না ঘটে, কৌশলে সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ