রমজান মাসে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ইফতারে কী খাওয়া হচ্ছে, তা কিডনি রোগীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক খাবার নির্বাচন না করলে রক্তে পটাশিয়াম বা সোডিয়ামের মাত্রা বেড়ে গিয়ে কিডনির ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তাই সুস্থভাবে রোজা সম্পন্ন করতে কিডনি রোগীদের ইফতারের মেন্যু হতে হবে বিশেষ সতর্কতামূলক। মূলত শরীরের পানির ভারসাম্য বজায় রাখা এবং লবণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখাই হলো এর প্রধান লক্ষ্য।
মিষ্টি পানীয় : কোল্ড ড্রিংকস বা অতিরিক্ত চিনি দেওয়া শরবত কিডনির জন্য ক্ষতিকর।
দুগ্ধজাত খাবার : বেশি পরিমাণে দুধ বা পনির এড়িয়ে চলুন, কারণ এতে ফসফরাস থাকে যা হাড় ও কিডনির সমস্যা বাড়াতে পারে।
বিশেষ পরামর্শ :
ইফতারের পর একবারে অনেকটা পানি না খেয়ে বরং সাহরি পর্যন্ত ধীরে ধীরে অল্প অল্প করে পানি পান করুন। তবে যাদের ডায়ালাইসিস চলছে বা অন্য কোনো জটিলতা আছে, তারা অবশ্যই রোজা রাখার আগে চিকিৎসকের সাথে কথা বলে ডায়েট চার্ট ঠিক করে নেবেন।