আনোয়ার হুসাইন ভালুকা প্রতিনিধি।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেছেন, ঈদুর ফিতর বাঙালি মুসলমানের প্রধান উৎসব। এই ঈদের সাথে অনেক ধরণের আনন্দ, আবেগ ও ভালোবাসা জড়িয়ে থাকে। পরিবারের কর্মক্ষমদের কাছে পরিবারের সদস্যদের নানা চাওয়া থাকে। ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এখন পর্যন্ত ৩০-৩৫ শতাংশ কারখানা শ্রমিকের বেতন এবং অর্ধেকের বেশি কারখানার শ্রমিকদের বোনাস দেয়া হয় নাই। এই বিষয়টি উদ্বেগজনক। শেষ মুহুর্তেও বেতন-বোনাস পরিশোধ না হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা জন্ম নিচ্ছে, পরিবারের ছোট বাচ্চারা মানসিকভাবে কষ্ট পাচ্ছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আবারো এই দাবী জোড়ালোভাবে ব্যক্ত করছে যে, অবিলম্বে মানে আজকে ও কালকের মধ্যে সকলের বেতন ও বোনাস পরিশোধ করতে হবে। এবং কারখানাগুলো মাসের ১৬ তারিখেরও কেন বেতন বাকি রাখলো, ঈদের ৫ দিন আগেও কেন বোনাস পরিশোধ করলো না তা জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। শ্রমিকের প্রাপ্য শ্রমিককে বুঝিয়ে দিতে এমন গড়িমসিকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব আজ ১৬ মার্চ, সোমবার এক বিবৃতিতে এই দাবী জানান। শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা বুঝিয়ে দিতে সরকারের দায়িত্ব স্বরণ করিয়ে দিয়ে অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেন, এই ক্ষেত্রে সরকারের নজরদারীর অভাব আছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সক্রিয় হলে এবং কারখানা মালিকদের ওপরে চাপ প্রয়োগ করলে ১৫ রোজার মধ্যেই তারা বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে বাধ্য। কিন্তু মালিকরা ধনিকশ্রেণীর হওয়ার কারণে এবং তাদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে সরকার এই বিষয়ে উদাসীন থাবে ফলে প্রতিবছরই ঈদ আসলে শ্রমিকদের দেনা-পাওনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, কোন কোন বছর সহিংস আন্দোলনের জন্ম দেয়। নতুন সরকারের আছে আমাদের প্রত্যাশা ছিলো যে, তারা অন্তত এবার শ্রমিকদের পাওনাটা সময়মতো আদায়ের ব্যবস্থা নেবে। সময়মতো আদায় না হলেও এখনো সময় আছে। দ্রুততার সাথে বকেয়া-বেতন আদায়ের ব্যবস্থা নিন।