বাসিত চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাটল ট্রেন বন্ধ হওয়ার সুযোগে নগরীর দ্রুতযান সার্ভিসসহ বিভিন্ন গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পূর্ণ ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। পবিত্র ঈদ উপলক্ষে ১৫ তারিখের পর থেকে শাটল চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাতায়াতে বিকল্প হিসেবে বাসের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। তবে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা হাফ ভাড়ার (কনসেশন) সুবিধা পাবেন না—এমন অজুহাতে অনেক বাসে শিক্ষার্থীদের তুলতেও অনীহা প্রকাশ করছেন চালক ও সহকারীরা। বিশেষ করে ১নং গেট এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের দেখেও বাস না থামানো এবং চলন্ত বাসে ছাত্র পরিচয় দিলে না তোলার মতো ঘটনা নিত্যদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও তাদের ছাত্রত্ব শেষ হয়ে যায় না। পরিচয়পত্র সচল থাকা সত্ত্বেও কেন তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হবে, তা নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। ১নং গেট ও সংলগ্ন পয়েন্টগুলোতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পর বাসে উঠতে পারলেও ভাড়া নিয়ে হেলপারদের সাথে বাকবিতণ্ডা ও হেনস্তার শিকার হতে হচ্ছে নিয়মিত। পরিবহন শ্রমিকদের দাবি—শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে শিক্ষার্থীদের বিশেষ কোনো সুবিধা দেওয়ার নিয়ম নেই, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক বলে মনে করছেন সচেতন ছাত্র সমাজ। প্রশাসনের সঠিক তদারকি না থাকায় উৎসবের আগে পরিবহন খাতের এই বিশৃঙ্খলা ও বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করেছে। এই অবস্থায় ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধ করতে এবং যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ট্রাফিক বিভাগের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শিক্ষার্থীরা।