নাটোর প্রতিনিধি, এটিভি সংবাদ //
নাটোরে দুই বছর বয়সী মেয়ের চিকিৎসা করাতে এসে সদর হাসপাতালে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক মা। গত রবিবার (৭ জুন) রাতে হাসপাতালের ষষ্ঠ তলার সিঁড়ি ঘরে ঘটে এ নেককারজনক ঘটনা।
মঙ্গলবার এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ওই নারীর বাবা। পরে হাসপাতালের তিন আউটসোর্সিং কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন— নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের আউটসোর্সিং সুইপার অমিত (২৩), অনিল (২৪) এবং প্রাঙ্গণ (২৩)।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৫ জুন মেয়েকে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন ওই মা। এরপর গত ৭ জুন রাত ১০টার দিকে অভিযুক্ত আসামি অমিত ওষুধ দেওয়ার কথা বলে ওই নারীকে হাসপাতালের ওয়ার্ড থেকে ডেকে নেন। পরে হাসপাতালের ষষ্ঠ তলার সিঁড়ি ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় ফোনে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করেন অমিতের দুই সহযোগী।
পরে সেই ভিডিও দেখিয়ে ওই নারীকে তাদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের জন্য ভয়ভীতি ও হুমকি দেন অভিযুক্তরা। এ সময় ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন শিশুটি তার মাকে দেখতে না পেয়ে কান্নাকাটি শুরু করে। এতে ওয়ার্ডে দায়িত্বরত নার্সরা নারীর খোঁজ শুরু করেন। খোঁজ না পেয়ে হাসপাতালের সিসিটিভির ফুটেজ পরীক্ষায় ষষ্ঠ তলায় ওই নারীর অবস্থান শনাক্ত করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ষষ্ঠ তলায় গিয়ে হাতেনাতে অভিযুক্তদের আটক এবং ওই নারীকে উদ্ধার করে।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে আইনি কাজ শেষে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
উল্লেখিত ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন, এটিভি সংবাদ ডটকমের সম্পাদক এস এম জামান। তিনি দেশের সরকার প্রধানের কাছে প্রশ্ন রাখেন, কোথায় গেলে এ দেশের মা-বোনের ইজ্জত রক্ষা পাবে?