কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (এসএও) মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও তিলাই ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মো. মকবুল হোসেনের ( মোঘল) মেয়ে মোছা. স্বপ্না বেগমের বিয়ে নিয়ে এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার আঙ্গারিয়া এলাকায় উভয় পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয় বলে জানা গেছে। এ সময় দেনমোহর হিসেবে সাত লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
মো. মোস্তাফিজুর রহমান কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের রাধাবল্লভ গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি বর্তমানে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা কৃষি অফিসে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। অন্যদিকে মোছা. স্বপ্না বেগম ভূরুঙ্গামারী উপজেলার আঙ্গারিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং তিলাই ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মো. মকবুল হোসেনের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কর্মসূত্রে ভূরুঙ্গামারীতে অবস্থানকালে মোস্তাফিজুর রহমান ও স্বপ্না বেগমের মধ্যে পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে স্থানীয়দের দাবি। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে মোস্তাফিজুর রহমান স্বপ্না বেগমের বাড়িতে গেলে স্থানীয়রা তাদের নিয়ে আলোচনা শুরু করেন। পরে উভয় পক্ষের সম্মতিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয় বলে জানা গেছে। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ও সচেতন ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তবে স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, মোস্তাফিজুর রহমান আগে থেকেই বিবাহিত এবং তার স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। তাঁর স্ত্রী একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন বলেও সূত্রগুলো জানিয়েছে। এ তথ্যের স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
ঘটনার বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, “স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারি, ওই নারী ও পুরুষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক ছিল। পরে লোকজন তাদের নিয়ে এলে উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়।”
এ বিষয়ে মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিয়ের ঘটনাটি নিয়ে বর্তমানে ভূরুঙ্গামারী এলাকায় নানা আলোচনা চলছে।