ময়মনসিংহ প্রতিনিধি। এটিভি সংবাদ /
ময়মনসিংহের ত্রিশালে বালুর ঘাটে ইজারাদারের এক কর্মীকে মারধরের ঘটনায় আলোচিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকীকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে।
এদিকে একই দিন বিকালে ওই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী। স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমানের উদ্যোগে তার মালিকানাধীন একটি হাসপাতালে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিএনপির নেতাকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বৈঠক শেষে সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী বলেছেন, ‘ঘটনাটি ঠিক হয়নি। আমি এজন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।’
পরে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ইউএনওকে ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমানকেও ফোনে পাওয়া যায়নি। তবে সাংবাদিকদের দেওয়া ভিডিও বক্তব্যের সূত্রে ইউএনওর দুঃখ প্রকাশের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
গত বুধবার ত্রিশালের কালীরবাজার এলাকার একটি বালুর ঘাটে ইজারাদারের এক কর্মীকে মারধর করেন ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এর পরদিনই তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার বিষয়টি জানা গেল।
এটিভি সম্পাদক এস এম জামান মন্তব্য করেছেন, বিষয়টি বড়ই নেক্কারজনক। একজন দায়িত্বশীল বিসিএস ক্যাডার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকী। জনসম্মুখে ইজারাদারের কর্মীর সাথে যে আচরণ করেছেন তা গোটা দেশের মানুষকে ভাবিয়ে তুলছে! জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ নোংরা মানসিকতার মানুষগুলোকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিলেই হয়তো তার অন্যায়ের কিছুটা লাঘব হবে।