গ্রিন টি একটি কম ক্যালরিযুক্ত পানীয়, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো পরিবেশ দূষণ, ধূমপানসহ ভেতরের ও বাইরের নানা কারণে হওয়া কোষের ক্ষতি প্রতিরোধে সাহায্য করে। খাদ্যতালিকায় গ্রিন টি যোগ করলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গ্রহণ বাড়ে, তবে সঠিক সময়ে পান করলে এর উপকারিতা আরো বেশি পাওয়া যায়।চলুন, জেনে নিই গ্রিন টি পান করার সেরা সময়।
দেরিতে সকাল বা বিকেলের দিকে
এই সময় অনেকেরই ক্লান্তি বা মনোযোগ কমে যায়। গ্রিন টিতে থাকা ক্যাফেইন ও এল-থিয়ানিন সাময়িকভাবে মনোযোগ, সতর্কতা এবং মানসিক কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
কখন গ্রিন টি এড়িয়ে চলবেন
১।ঘুমানোর আগে গ্রিন টিতে ক্যাফেইন থাকায় এটি ঘুমের মান খারাপ করতে পারে, বিশেষ করে যারা ক্যাফেইনের প্রতি সংবেদনশীল। এ সময় ক্যাফেইনমুক্ত চা যেমন ক্যামোমাইল, রুইবোস বা পুদিনা চা বেছে নেওয়া ভালো।
৪। ব্যায়ামের আগে
যদিও ক্যাফেইন কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে, তবে গ্রিন টিতে ক্যাফেইনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম। তাই ব্যায়ামের পারফরম্যান্স বাড়ানোর জন্য এটি সবচেয়ে কার্যকর উৎস নয়, যদিও চাইলে পান করা যেতে পারে।
গ্রিন টি থেকে সর্বোচ্চ উপকার পাওয়ার উপায়
১। সঠিক সংরক্ষণ
গ্রিন টি বায়ুরোধী পাত্রে, ঠাণ্ডা, শুকনো ও অন্ধকার জায়গায় রাখুন। এতে স্বাদ, সুবাস ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভালোভাবে সংরক্ষিত থাকে।
২। সঠিক তাপমাত্রা ও সময়ে তৈরি করা
গ্রিন টি তৈরির সময় পাতার মান, পানির তাপমাত্রা ও ভেজানোর সময় গুরুত্বপূর্ণ। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সর্বাধিক পেতে ৮০–৮৫°সেলসিয়াস (১৭৬–১৮৫° ফারেনহাইট) গরম পানিতে ৫–১০ মিনিট চা পাতা ভিজিয়ে রাখুন।