ঢাকা মহানগর পুলিশের মোহাম্মদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, হত্যার কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে চুরির বিষয়টিই সামনে এসেছে। তবে এর বাইরে অন্য কোনো কারণ আছে কিনা, তা জানার চেষ্টা চলছে।
তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আয়েশা দাবি করে, চুরির পরিকল্পনা নিয়ে সে ওই বাসায় ঢুকলেও হত্যার কোনো ইচ্ছা ছিল না। আত্মরক্ষার অংশ হিসেবে সে নিজের বাসা থেকে সুইচ গিয়ার চাকু সঙ্গে নিয়ে যায়।
হত্যায় ব্যবহৃত অপর ছুরিটি ওই বাসাতেই ছিল। মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাতের পর সে আসাদগেট হয়ে সাভারের হেমায়েতপুরে নিজের বাসায় যায়। পরে রাতে সেখান থেকে যায় একই এলাকায় মায়ের বাসায়। তার মা ময়না বেগম পোশাক শ্রমিক। বাবা রবিউল ইসলাম আরেকটি বিয়ে করে আলাদা থাকেন।
পরদিন আয়েশা ঝালকাঠির নলছিটিতে দাদাশ্বশুরের বাড়িতে যায়। সেখান থেকেই গতকাল তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে, গৃহকর্মী হিসেবে কাজ নেওয়ার সময় নিজের নাম ছাড়া বাকি তথ্য ঠিকঠাক দেয়নি আয়েশা। সে জানিয়েছিল, তার মা-বাবা অগ্নিকাণ্ডে মারা গেছে, অথচ তারা বেঁচে আছেন। সে নিজেও ওই আগুনে দগ্ধ হয় বলে জানিয়েছিল। তার শরীরে পুড়ে যাওয়ার চিহ্ন আছে ঠিকই। তবে তার এখনকার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে সে আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। জেনেভা ক্যাম্পে চাচা-চাচির সঙ্গে থাকার তথ্যও ঠিক নয়। তবে দেড় বছর আগে সে ক্যাম্পে ভাড়া থাকত। এর পর থেকে সে হেমায়েতপুরে স্বামীর সঙ্গে থাকে। তাদের দুই বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।







