অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করে দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ।
তারা বলেছেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির মৃত্যু স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মনে ক্ষোভের সঞ্চার করেছে। কিন্তু এই সুযোগে একটা উগ্র ধর্মান্ধ ফ্যাসিস্ট শক্তি এই ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে সারা দেশে তাদের হীন তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ঘটনা দেশকে একটা চূড়ান্ত নৈরাজ্যের দিকে নিয়ে যাবে এবং দেশে একটা গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে।
তারা বলেন, ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকে ঢাকায় ও সারা দেশে তাণ্ডব চালানো হয়েছে। ছায়ানট ভবন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটের ঘটনা ঘটেছে। ডেইলি স্টার কার্যালয়ের সামনে বাংলাদেশের প্রথিতযশা সাংবাদিক, স্বৈরাচারবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম লড়াকু কণ্ঠস্বর, সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও নিউএজ পত্রিকার সম্পাদক নুরুল কবীরের ওপর হামলা করা হয়েছে, তাঁকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ওসমান হাদির মৃত্যু গোটা দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতির চিত্র পুনরায় চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, সিপিবির সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ ক্কাফী রতন, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদ (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টির নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী।
এটিভি/এসএম/গৃহযুদ্ধ