ম্যানচেস্টার সিটির ম্যানেজার পেপ গার্দিওলা গত শুক্রবার নিজেই জানিয়েছেন, একদিন না একদিন তাকে ছাড়াই ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করতে হবে ক্লাবটিকে। ৫৪ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ কোচ তার নয় বছরের রাজত্বে ইংলিশ ফুটবলের চেহারা বদলে দিয়েছেন। এই সময়ে সিটির হয়ে জিতেছেন ছয় লিগ শিরোপা, সঙ্গে চ্যাম্পিয়নস লিগসহ অসংখ্য ট্রফি।
গার্দিওলা বলেন, ‘আমি চিরকাল এখানে থাকব না।
সিটির নতুন স্পোর্টিং ডিরেক্টর হুগো ভিয়ানা এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। গার্দিওলার মতো সফল কোচের জায়গা নেওয়া যে বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর একটি তা বলাই বাহুল্য।
কোচের খোঁজে প্রিমিয়ার লিগেই নজর দিতে পারে সিটি কর্তৃপক্ষ। চেলসি কোচ এনজো মারেস্কার নাম আলোচনায় এসেছে।
ইউরোপের বড় নামগুলো
প্রিমিয়ার লিগের বাইরে ইউরোপেও রয়েছে একাধিক হেভিওয়েট বিকল্প। পিএসজিকে ট্রেবল জেতানো লুইস এনরিকের নাম আলোচনায় এলেও তার সঙ্গে সিটির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুমার অতীত সম্পর্ক বিষয়টি জটিলতা তৈরি করতে পারে।
এ ছাড়া জিনেদিন জিদান, মার্সেইয়ের কোচ রোবের্তো দে জারবি কিংবা জার্মানির কোচ ইয়ুলিয়ান নাগেলসমানের নামও ঘুরছে আলোচনায়।
ভেতরের লোক?
ক্লাবের ভেতর থেকেও কি কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হবে? গার্দিওলার সহকারী পেপ লেইন্ডার্স কিংবা যুব দলের কোচ অলিভার রাইস—দুজনের নামই শোনা যাচ্ছে। তবে অভিজ্ঞতা ও ঝুঁকির দিকটি বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
চমক কি হতে পারে?
সবচেয়ে চমকপ্রদ নাম হতে পারেন মিকেল আর্তেতা। গার্দিওলার সাবেক সহকারী হিসেবে আর্সেনালকে টানা তিন মৌসুম রানার্সআপ করেছেন তিনি। আবার একসময়কার প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী ইয়ুর্গেন ক্লপের নামও কল্পনায় উঁকি দিচ্ছে। বর্তমানে রেড বুল গ্রুপে কাজ করলেও, সিটি যদি ফোন করে—তবে কী হবে? এদিকে ক্লপ অবশ্য জানিয়ে দিয়েছেন প্রিমিয়ার লিগে লিভারপুল ছাড়া অন্য কোন ক্লাবের হয়ে কাজ করার ইচ্ছে তার নেই।