ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশন কার্যালয়ের সামনে হিন্দুত্ববাদী কয়েকটি সংগঠনের বিক্ষোভে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে। বাংলাদেশের ময়মনসিংহে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দিপু চন্দ্র দাসকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা এবং তার মরদেহ জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদে এ সমাবেশ ডাকা হয়েছিল।
বিবিসি বাংলা জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় এই সমাবেশ শুরু হয়।
কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশন কার্যালয়ের সামনে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের বিচার দাবিতে স্লোগান দিচ্ছিল।
সমাবেশ শুরুর কিছুক্ষণ পরই পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীরা ধাক্কাধাক্কি শুরু করে, এক পর্যায়ে প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে ফেলে বিক্ষোভকারীরা।
এরপর দ্বিতীয় ব্যারিকেড পর্যন্ত তারা পৌঁছে যাওয়ার পর পুলিশ লাঠিচার্জ করে। দূতাবাসের অন্তত ১০০ মিটার দূরে বিক্ষোভকারীদের আটকে দেয় পুলিশ।
এদিকে আজ সকালে দিল্লির চানক্যপুরীতে অবস্থিত বাংলাদেশের হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) ও বাজরং দলসহ হিন্দু সংগঠনগুলো। তারাও বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগে বিচার দাবি করছে।
এর আগে ২০ ডিসেম্বর রাতে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের গেটে বিক্ষোভের বিষয়ে ঢাকাস্থ বাংলাদেশ মিশনের প্রেস মিনিস্টার মো. ফয়সাল মাহমুদ জানান, কয়েকটি গাড়িতে করে আসা লোকজন কিছুক্ষণ স্লোগান দিয়ে চলে যায়।
এদিকে ২০ ডিসেম্বরের ঘটনার পর ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একে ‘বিভ্রান্তিকর প্রচারণা’ বলে দাবি করে।
ঢাকা বলছে, কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও ভিয়েনা কনভেনশনের আলোকে বিদেশি মিশনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা স্বাগতিক দেশের দায়িত্ব, আর এই ঘটনায় সে দায়িত্ব পালনে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।