জলঢাকা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাবিটার কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি। ২০২৪,২০২৫ অর্থবছরে বরাদ্দকৃত টিআর, কাবিখা, বা কাবিটা যা হতদরিদ্র এলাকাগুলোতে অব কাঠামো সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করা হয় এবং দিনমজুরকে মজুরি সহ নগদ অর্থ খাদ্য সামগ্রী। এবং বরাদ্দকৃত নির্ধারিত অর্থের বিনিময়ে এ কাজগুলো করে নেওয়া হয়।সেই টাকা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা থেকে তিনবার দেওয়া হয় কাজের বিনিময়ে। কেউ, কেউ করতেছে ভালো কাজ, কেউ আবার রাস্তায় ধুলো ছিটিয়ে দিয়ে, রাস্তার উপর বালু ছিটিয়ে দিয়ে, নিম্নমানের সামগ্রিক দিয়ে করতেছে কাবিটার কাজ। আজকে বিভিন্ন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শৌলমারী ইউনিয়নে জামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির অধীনস্থ রাস্তার কাজে দেখতে গেলে দেখা যায় সম্পূর্ণ বালু, এবং নিম্নমানের ইটের ক্ষোয়া দিয়ে ঢালাই চালিয়ে যাচ্ছে রশিদুল মেম্বার। বিষয়টি নিয়ে সাথে রশিদুল ইসলাম মেম্বারকে বলা হলে, যে সম্পূর্ণ বালু দিচ্ছেন কেনো তখনই তিনি মেজাজ হারিয়ে সাংবাদিকদের বলেন আমার ছবি তুলে বাল করেন আপনারা। ঘটনাস্তলে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলতেছেন ঢালাই মনে হয় ৫ ইঞ্চি এখানে হবে না, তিন থেকে চার ইঞ্চি হতে পারে। আমরা যদি ভালো কাজ করতে বলি তিনি আমাদের উপর চড়াও হয়ে যান, এ জন্য আমাদের দেখা ছাড়া কিছু করার নেই। তবে বিষয়টি নিয়ে সচেতন নাগরিকরা বলতেছেন যেভাবে উন্নয়ন সংস্কার গুলো করা হয় এগুলো একবারই অনিয়ম, সামান্য টাকা লাভ হবে তারা যে কেনো এরকম করে আমরা বুঝি না। তবে বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার জলঢাকা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে ফোন দেয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এমন কি বিষয়টি নিয়ে অত্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলে তিনিও ফোন রিসিভ করেন না।