শুক্রবার বিকালে সিলেট-৪ আসনের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় নিজ নির্বাচনি এলাকায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক ও সূধিজনের সাথে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত আরিফুল হক চৌধুরী শ্রম ও কর্মসংস্থান, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রীর দ্বায়িত্ব পেয়েছেন।
আরিফুল হক বলেন, “আমি যেহেতু নির্বাচনের আগে অঙ্গীকার করেছি যে, সনাতন পদ্ধতিতে পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে আমাদের আন্তঃমন্ত্রণালয়ের একটা সিদ্ধান্তের ব্যাপার আছে। আমরা শপথ নিলাম, রমজান চলে আসছে। কাজেই একটা সরকার বসতে তার কতগুলো সময় আছে। এলাকার মানুষের ডিমান্ড, শ্রমিকদের বিষয় সহ সব কিছু মাথায় নিয়ে আমরা কাজ করছি। এই সময় পর্যন্ত আপনারা সবাই, আমার দলের নেতাকর্মী সহ আমাদেরকে, আমাদের প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে হবে।”
থানার ওসিকে উদ্দেশ্য করে মন্ত্রী বলেন, “ওসি সাহেব, আমি স্ট্রেইট বলছি, আগে কি হইছে না হইছে এগুলো আমি শুনতে চাই না। এখন থেকে কোন বালু-পাথর আমাদের মন্ত্রণালয় মিটিং করে সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত, একটা ছটাকও কোন কিছু এখানে এদিক-সেদিক হবে না। আমরা কোথায় কিভাবে করবো না করবো, এটা মন্ত্রণালয়ে সিদ্ধান্ত হবে। আপনাকে বাড়তি পুলিশ ফোর্স দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই দিনের মধ্যে বিজিবি থেকেও একটা প্লাটুন থাকবে। আলাদা ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে দেওয়া হবে। যাতে ওখানে বসেই আদালত করতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “যদি কোনো প্রভাবশালী-টভাবশালী, এই-সেই, আপনি ধরে আমারে খবর দিয়েন যে, আমি ধরেছি, পরবর্তী যেটা দেখার আমি দেখব। অমুকের ছত্রচ্ছায়ায়, অমুকের শেল্টারে এসব শুনতে চাই না। অন্যায় কোন কিছু হতে দেওয়া হবে না। গভীর রাতে চুর-পুলিশ খেলা হলে, গভীরভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাত গভীর থাকতেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ টেরও পাবে না।”
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন ও উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রবিন মিয়া, সহকারী পুলিশ কমিশনার (গোয়াইনঘাট সার্কেল) আব্দুল্লাহ আল নোমান, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী আব্দুল মন্নান, সাবেক সভাপতি হাজী সাহাব উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান লাল মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ খন্দকার, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল মুত্তাকিন বাদশা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন।