মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানানো ভয়ংকর অভিযোগ উঠেছে আলোচিত শালিক রেস্টুরেন্ট মালিক নাসিরের বিরুদ্ধে।
কৌশলে কক্সবাজার থেকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে স্বাধীন নামের এক যুবককে টানা তিনদিন একটি অন্ধকার কক্ষে বন্দি করে চালানো হয় নির্মম নির্যাতন।
নির্যাতনের স্বীকার যুবকের অভিযোগ তার পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য ও চাপ দেয়।
অভিযোগ রয়েছে, তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে ফেলতে চালানো হয় অমানবিক অত্যাচার।
এ সময় জোরপূর্বক তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা ট্রান্সফার করা হয়। শুধু তাই নয়, ভয়ভীতি ও ব্ল্যাকমেইলের উদ্দেশ্যে তাকে নগ্ন করে বিভিন্ন আপত্তিকর ভিডিও ধারণ ও বিভিন্ন বক্তব্য সম্বলিত জোরপূর্বক রেকর্ডিং করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
নির্যাতনের ভয়াবহতায় যুবকের শরীরজুড়ে দেখা গেছে অসংখ্য ক্ষতের চিহ্ন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে বিমানে তুলে কক্সবাজার পাঠিয়ে দেওয়া হয়, যেন পুরো ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়া যায়।
রোববার বিকেলে কক্সবাজার বিমানবন্দর গেইট এলাকা থেকে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বেরিয়ে আসে রোমহর্ষক নির্যাতনের সেই ভয়াবহ কাহিনী।
ঘটনার বর্ণনা শুনে স্তম্ভিত স্থানীয়রা। অনেকের ভাষ্য, বাস্তবের এই বিভীষিকা যেন কোনো ক্রাইম থ্রিলার সিনেমাকেও হার মানিয়েছে।