প্রবাসে কর্মসংস্থানের প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ওসমানিয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান ওসমান গনি বেলালের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীদের দাবি, সৌদি আরবে পাঠানোর কথা বলে অসংখ্য মানুষের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঢাকার পল্টনে অবস্থিত ওসমানিয়া ওভারসিজের অফিস হঠাৎ করেই বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির নতুন কোনো অফিসের ঠিকানা পাওয়া যাচ্ছে না। এতে করে প্রতারিতরা চরম অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন।
একজন ভুক্তভোগী জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে তার পাওনা অর্থ ফেরত চেয়ে আসছিলেন। শুরুতে যোগাযোগ করলে টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও বর্তমানে কল রিসিভ করছেন না এবং নম্বর ব্লক করে দিচ্ছেন। এমনকি তার ছেলে ফাহাদ ওসমানের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অভিযুক্তরা এখন অপরিচিত কোনো নম্বর থেকেও কল রিসিভ করে না। এদিকে, তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ঠিকানায় গিয়ে দেখা গেছে সেখানে কোনো অফিসের অস্তিত্ব নেই।
ওই ভবনের দারোয়ান জানান—এই প্রতিষ্ঠানের খোঁজে প্রতিদিনই অনেক মানুষ এসেছেন । তার ভাষ্য, “অনেক মানুষের টাকা নিয়ে তারা অফিস ছেড়ে চলে গেছে।” একই ফ্লোরের অন্য অফিসের কর্মীরাও একই ধরনের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এছাড়া, মানুষকে আকৃষ্ট করার উদ্দেশ্যে ‘ওসমানীয়া ওভারসীজ’, ‘ওসমানীয়া ফুড’, ‘ওসমানীয়া সু’ এবং ‘ওসমানীয়া টিভি’সহ বিভিন্ন নামে ফেসবুক পেজ খুলে প্রচার করেছে ওসমানীয়া গ্রুপ’ এর নাম। অথচ তার কোন অফিস নেই।
ঘটনার বিষয়ে দ্রুত তদন্ত এবং ভুক্তভোগীদের অর্থ ফেরত নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।