দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে সারের ডিলার কর্তৃক সার মজুদ সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি ও নসিপুর বিএডিসি গুদামে সার চুরি সহ বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে অভিযান চালাচ্ছে বীরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ এবং পুলিশ প্রশাসন। সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এসব সারের ডিলার কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সার বিক্রি করছিলেন বেশি মুনাফার জন্য । গত ২৩ শে আগস্ট থেকে দিন ও রাতে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে কারাদন্ড এবং ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন, একই সাথে জব্দ করা হয়েছে ২,৩৪০ বস্তা সার। পরে এসব আটককৃত সার নির্ধারিত মূল্যের কৃষকদের কাছে বিক্রি করে পাওয়া ৩১ লাখ ৯৩ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করেছেন প্রশাসন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সাংবাদিককে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা জায় বিসিআইসি ও বিএডিসি নিবন্ধিত কয়েকজন ডিলার বরাদ্দের বাহিরে অবৈধভাবে সার মজুদ করে কৃষকদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করছে বলে প্রায় অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে গত ২৫ শে আগস্ট রাতে সহযোগি কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপঙ্কর বর্মনের নেতৃত্বে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করেন।
এ সময় বীরগঞ্জ উপজেলার কবিরাজ হাট কৃষি বীজ ঘরের বিএডিসি নিবন্ধিত ডিলার মোঃ সোহাগ ও মোঃ দুলালের প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুদ করার ৪৫০ বস্তা সার জব্দ করে। অভিযানে ঐ প্রতিষ্ঠানে কর্মচারী মোঃ জনিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ও ১ মাসের কারাদন্ড এবং অপর এক কর্মচারী বাদলকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ও ৩ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন। গত ২৭ শে আগস্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমা খাতুনের নেতৃত্বে ভোগনগর ইউনিয়ে জনতা অটো রাইস ও নওশাদ ট্রেডার্স নামে বিসিআইসি নিবন্ধিত ডিলারের প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় গুদাম থেকে বিভিন্ন ধরনের আমদানিকৃত ১,৮৯০ বস্তা মজুদ করা সার জব্দ করা হয়। জনতা অটো রাইস মিলের ব্যবস্থাপক কাজী ফয়সালকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ও ৩ মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়। ২৯ ও ৩০ আগস্ট উদ্ধার করা মোট ২,৩৪০ বস্তা সার