https://Dingdong77game.com https://www.olimpiocotillo.com/ https://www.rdcongoleopardsfoot.com/ https://takeoveranddestroy.com/ https://plaintextebooks.com/ https://moderate-ri.org/ https://addictedtoseries.com/ https://nasstimes.com/ https://ellenlanyon.com/ https://axres.com/ https://hbfasia.org/ https://pavlograd-official.org/ https://ape77slot.com/ https://ape77sport.com/ https://christopheranton.org/ https://eriksmith.org/ https://jaytotoslot.org/ https://mexicovolitivo.com/ https://www.dirtyjokepost.com/ https://bobasportgame.org/ https://139.180.186.42/dingdong77/ https://jaytoto.org/ https://superanunciosweb.com/ ১২০ কার্যদিবসের প্রশিক্ষণে উপস্থিতি মাত্র ১৯–২৬ দিন, তবুও সার্টিফিকেট! - atv sangbad ১২০ কার্যদিবসের প্রশিক্ষণে উপস্থিতি মাত্র ১৯–২৬ দিন, তবুও সার্টিফিকেট! - atv sangbad ১২০ কার্যদিবসের প্রশিক্ষণে উপস্থিতি মাত্র ১৯–২৬ দিন, তবুও সার্টিফিকেট! - atv sangbad
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
অপেক্ষায় রইল মা, ফিরল লাশ : গাইবান্ধায় সড়কে ঝরল দুই প্রাণ ইন্দোনেশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দামায়ান্তিকে সংসদের অনুমোদন নবনিযুক্ত ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদাকে সাদা দল ও ইউট্যাবের অভিনন্দন বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দক্ষিণ গফরগাঁওয়ে বর্ণাঢ্য র‍্যালি গাইবান্ধায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন ১২০ কার্যদিবসের প্রশিক্ষণে উপস্থিতি মাত্র ১৯–২৬ দিন, তবুও সার্টিফিকেট! পাবনা সাঁথিয়ায় জাঁকজমক পূর্ণভাবে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ইরানকে ট্রাম্পের নতুন হুমকিতে তেলের দাম বাড়ছে দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলায় পাটের জমজমাট বাজার, প্রায় ১০০ কোটি টাকার ব্যবসার আশা বীরগঞ্জ উপজেলায় বাজেয়াপ্ত ২,৩৪০ বস্তা সার বিক্রির ৩২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা

১২০ কার্যদিবসের প্রশিক্ষণে উপস্থিতি মাত্র ১৯–২৬ দিন, তবুও সার্টিফিকেট!

আহসান হাবীব বাপ্পী,যশোরঃ / ১৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ন

4 / 100 SEO Score

যশোর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন, উপ-পরিচালক খন্দকার জাকির হোসেনের কাছে মেলেনি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা।
যশোর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত ছয় মাস মেয়াদি ‘মডার্ন অফিস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কম্পিউটার’ প্রশিক্ষণ কোর্সের কয়েকজন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় ধাপের ওই প্রশিক্ষণ কোর্সে ১২০ কার্যদিবসের প্রশিক্ষণের বিপরীতে তিন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি পাওয়া গেছে যথাক্রমে মাত্র ১৯, ২০ ও ২৬ কার্যদিবস। এরপরও তাদের প্রশিক্ষণ সম্পন্নের সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের দপ্তর থেকে পাওয়া উপস্থিতির সিটে এ তথ্য উল্লেখ রয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, মোঃ তৌফিক আহমেদের উপস্থিতি ২০ কার্যদিবস, ফইজুন নাহারের ২৬ কার্যদিবস এবং মোঃ মুশফিকুর রহমানের উপস্থিতি ১৯ কার্যদিবস।

প্রশ্ন উঠেছে—একটি ছয় মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সে যেখানে মোট ১২০ কার্যদিবসের প্রশিক্ষণ নির্ধারিত, সেখানে মাত্র ১৯ থেকে ২৬ দিন উপস্থিত থেকে কীভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্নের সার্টিফিকেট পাওয়া সম্ভব হলো?

অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, উল্লেখিত তিন শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ সম্পন্নের সার্টিফিকেট পেয়েছেন। কিন্তু এত কম উপস্থিতির পরও তাদের সার্টিফিকেট দেওয়ার ক্ষেত্রে কী নিয়ম বা সিদ্ধান্ত অনুসরণ করা হয়েছে—তা নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রশ্ন।

এ বিষয়ে যশোর যুব উন্নয়নের উপ-পরিচালক খন্দকার জাকির হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি এমন কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি, যার মাধ্যমে এত কম উপস্থিতির পর সার্টিফিকেট প্রদানের বিষয়টি স্পষ্ট হয়।

অভিযোগের বিষয়ে সরাসরি সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বক্তব্য জানতে তাদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়।
মোঃ তৌফিক আহমেদ এবং ফইজুন নাহারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।

অন্যদিকে মোঃ মুশফিকুর রহমান ফোন রিসিভ করলেও তার প্রশিক্ষণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি কোনো বক্তব্য না দিয়ে আমি ফোন ব্যাক করছি বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।পরে আবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে যোগাযোগ হয়নি।

ফলে সংশ্লিষ্ট তিন শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণে তাদের প্রকৃত অংশগ্রহণ সম্পর্কে কোনো বক্তব্য দেননি।

এত কম উপস্থিতির পরও কীভাবে তিন শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ সম্পন্নের সার্টিফিকেট পেলেন—এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে আরও একটি বিষয় সামনে এসেছে। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন, শিক্ষার্থীরা প্রকৃতপক্ষে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন না করেই কোনো প্রভাব, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত কিংবা আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে সার্টিফিকেট পেয়েছেন কি না।

তবে আর্থিক লেনদেনের কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ এই প্রতিবেদনের হাতে আসেনি। ফলে বিষয়টি এখনো অভিযোগ ও সন্দেহের পর্যায়ে রয়েছে। এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য বের করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগের বিষয়ে যশোর যুব উন্নয়নের উপ-পরিচালক খন্দকার জাকির হোসেনের বক্তব্য জানতে সরাসরি যোগাযোগ করা হয়। একই সঙ্গে ক্যামেরার সামনে সাক্ষাৎকার দেওয়ার অনুরোধ জানানো হলে তিনি সাক্ষাৎকার দিতে অস্বীকৃতি জানান।

তিনি জানান, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া তিনি ক্যামেরার সামনে সাক্ষাৎকার দিতে পারবেন না।

এতে প্রশিক্ষণার্থীদের কম উপস্থিতি সত্ত্বেও সার্টিফিকেট দেওয়ার সিদ্ধান্তটি কীভাবে নেওয়া হয়েছিল, কার অনুমোদনে নেওয়া হয়েছিল এবং এ ক্ষেত্রে কোনো বিধি অনুসরণ করা হয়েছিল কি না—এসব প্রশ্নের সুস্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি।

একটি সরকারি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে নির্ধারিত ১২০ কার্যদিবসের মধ্যে কোনো প্রশিক্ষণার্থীর উপস্থিতি যদি মাত্র ১৯, ২০ কিংবা ২৬ দিন হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ সম্পন্নের সার্টিফিকেট দেওয়ার বৈধতা ও প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।এবং একই সাথে কোনো আর্থিক লেনদেন বা অনিয়ম হয়েছে কি না—তা তদন্তের দাবি উঠেছে।

সরকারি অর্থ ও সুযোগ-সুবিধায় পরিচালিত যুব প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রকৃত প্রশিক্ষণার্থীরা যাতে বঞ্চিত না হন এবং সার্টিফিকেট প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় থাকে—এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা জনসম্মুখে প্রকাশ করা এখন সময়ের দাবি।

কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়—১২০ কার্যদিবসের প্রশিক্ষণে মাত্র ১৯, ২০ ও ২৬ দিন উপস্থিত থাকা শিক্ষার্থীরা কোন প্রক্রিয়ায় প্রশিক্ষণ সম্পন্নের সার্টিফিকেট পেলেন?
অনুসন্ধান চলমান……..


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ