নিউজ ডেস্ক, এটিভি সংবাদ
মন্ত্রিসভার বৈঠকে বাংলাদেশ অ্যালাইড হেলথ শিক্ষাবোর্ড আইন ২০২৩-এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
সোমবার (৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভা কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে স্বাস্থ্য ও পরিবার-কল্যাণ মন্ত্রণালয় এ আইনটি উপস্থাপন করে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বাংলাদেশে স্বাস্থ্য শিক্ষার কাঠামো আছে, এমবিবিএস, বিডিএস, নার্সিং, ফার্মাসি এ জাতীয় শিক্ষার সুনির্দিষ্ট কাঠামো আছে। এগুলো পর্যবেক্ষণ ও মান নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা আছে। কিন্তু এর বাইরেও কিছু শিক্ষা থাকে, সেগুলোর মান নিয়ন্ত্রণ, পরীক্ষা পদ্ধতি, পাঠ্যসূচির ভালো কাঠামো নেই।
তিনি বলেন ‘এসব প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এত বেড়ে গেছে যে, তা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। সেই বাস্তবতার আলোকে এ আইনটি উপস্থাপন করা হয়েছে। এটি মূলত এভাবে করা হয়েছে, একটি বোর্ড থাকবে, সেই বোর্ড এমবিবিএস, বিডিএস, নার্সিং, মিডওয়াইফারি, ফার্মাসি শিক্ষার বাইরে অন্য সহযোগী চিকিৎসা শিক্ষা ও অ্যালাইড হেলথ শিক্ষা কার্যক্রম তারা মনিটরিং করা হবে। সেই দায়িত্ব দিয়ে এই বোর্ড গঠন করা হবে।’
তিনি বলেন, এরইমধ্যে বাংলাদেশে ৩০০টির বেশি প্রতিষ্ঠান আছে, যারা হেলথ খাতে কাজ করছে। এই বোর্ডের একজন চেয়ারম্যান থাকবে। এছাড়া মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদ ও বিভিন্ন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট ডিন পরিচালক থাকবেন। সরকারি মেডিকেল কলেজের একজন প্রিন্সিপাল ও সরকারি ডেন্টাল কলেজের একজন প্রিন্সিপালও থাকবেন। বেসরকারি মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং ইন্সটিটিউট থেকে একজন ও হেলথ টেকনোলজি থেকেও একজন থাকবেন। এভাবে ১৬ ক্যাটাগরির লোকজন বোর্ডে থাকবেন। তারা এই বোর্ড পরিচালনা করবেন।
বোর্ডের চেয়ারম্যান হবেন প্রধান নির্বাহী। আর রেজিস্ট্রার বলে একটি পদ থাকবে, যিনি প্রশাসনিক কাজের দায়িত্ব পালন করবেন। সরকার অনুমোদিত নির্দিষ্ট একটি অর্গানোগ্রাম থাকবে। সে অনুযায়ী নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রম গ্রহণ করতে পারবেন।
এটিভি/এস